ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের হাত ধরে গণতান্ত্রিক যাত্রায় এগিয়ে যাবে দেশ: মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 219
240

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে। তাঁর রাজসিক প্রত্যাবর্তন সেই বার্তাই বহন করে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেছেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনেরও প্রত্যাশাও জানান তিনি।

শুক্রবার দুপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০০৬ সালের পর আমাদের তরুণ নেতা, সম্ভাবনাময় নেতা— যাকে আজ সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ও বিশ্ব গণমাধ্যম বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী বলে মনে করছে, সেই তারেক রহমান গতকাল দেশে ফিরে এসেছেন। তিনি ফিরে এসেছেন এক রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে। সমগ্র বাংলাদেশ তাকে সংবর্ধনা জানিয়েছে। পুরো দেশ আজ আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। জনগণ তাদের প্রাণের প্রিয় নেতাকে ফিরে পেয়েছে। ২০০৬ সালের পর আজ ২০২৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর তিনি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করতে আসবেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এ ধরনের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ খুব কম নেতার ভাগ্যেই জোটে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আজ নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এটি একটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে সুবাতাস বইতে শুরু করেছে।

এবার ৭ দলের সমন্বয়ে ‘জাতীয় মুসলিম জোট’

দীর্ঘ ১৯ বছর পর আজ (শুক্রবার) রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে যাবেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সর্বশেষ ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

বাদ জুমা শেরেবাংলা নগরে বাবার সমাধিতে যাওয়ার কথা তারেক রহমানের। এ উপলক্ষ্যে সমাধি এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সকাল থেকে নেতাকর্মীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে মাজার এলাকায়।

অন্যদিকে, তারেক রহমানের নিরাপত্তায় পুলিশ, বিজিবি ও আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করছেন।

নেতাকর্মীরা জানান, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আর সেটিকে বাস্তবায়ন করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। এখন তারেক রহমানের হাত ধরে সেই গণতন্ত্র প্রস্ফুটিত হবে।

একই সঙ্গে তারেক রহমানের আগমনে নির্বাচনকেন্দ্রিক জটিলতাসহ দেশের সব ধোঁয়াশা কেটে গেছে বলেও দাবি তাদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেক রহমানের হাত ধরে গণতান্ত্রিক যাত্রায় এগিয়ে যাবে দেশ: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৩:৪১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
240

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে। তাঁর রাজসিক প্রত্যাবর্তন সেই বার্তাই বহন করে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেছেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনেরও প্রত্যাশাও জানান তিনি।

শুক্রবার দুপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০০৬ সালের পর আমাদের তরুণ নেতা, সম্ভাবনাময় নেতা— যাকে আজ সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ও বিশ্ব গণমাধ্যম বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী বলে মনে করছে, সেই তারেক রহমান গতকাল দেশে ফিরে এসেছেন। তিনি ফিরে এসেছেন এক রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে। সমগ্র বাংলাদেশ তাকে সংবর্ধনা জানিয়েছে। পুরো দেশ আজ আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। জনগণ তাদের প্রাণের প্রিয় নেতাকে ফিরে পেয়েছে। ২০০৬ সালের পর আজ ২০২৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর তিনি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করতে আসবেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এ ধরনের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ খুব কম নেতার ভাগ্যেই জোটে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আজ নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এটি একটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে সুবাতাস বইতে শুরু করেছে।

এবার ৭ দলের সমন্বয়ে ‘জাতীয় মুসলিম জোট’

দীর্ঘ ১৯ বছর পর আজ (শুক্রবার) রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে যাবেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সর্বশেষ ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

বাদ জুমা শেরেবাংলা নগরে বাবার সমাধিতে যাওয়ার কথা তারেক রহমানের। এ উপলক্ষ্যে সমাধি এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সকাল থেকে নেতাকর্মীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে মাজার এলাকায়।

অন্যদিকে, তারেক রহমানের নিরাপত্তায় পুলিশ, বিজিবি ও আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করছেন।

নেতাকর্মীরা জানান, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আর সেটিকে বাস্তবায়ন করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। এখন তারেক রহমানের হাত ধরে সেই গণতন্ত্র প্রস্ফুটিত হবে।

একই সঙ্গে তারেক রহমানের আগমনে নির্বাচনকেন্দ্রিক জটিলতাসহ দেশের সব ধোঁয়াশা কেটে গেছে বলেও দাবি তাদের।