ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এ নির্বাচন আগামী ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে: সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:০৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 157
176

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। কারণ এ নির্বাচনে একটি গণভোট হচ্ছে। হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত হলে বিভিন্ন সংস্কার বাস্তবায়িত হবে। নির্বাচনে সরকার হিসেবে আমরা কারও পক্ষে কিংবা বিপক্ষে অবস্থান নেব না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে দিনাজপুরের গড়ে শহীদ ময়দানে ভোটের গাড়ি পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটাররা তাদের ইচ্ছেমতো ভোট দিতে পারবেন। তাতে কেউ বাধা দিতে পারবে না, সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ফাওজুল কবির বলেন, বিগত সময়ে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। এদেশের ছাত্র- জনতা জুলাই আন্দোলনে প্রতিবাদের মাধ্যমে সেটির প্রতিফলন ঘটিয়েছে। এখন সময় এসেছে পছন্দর প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার।

অন্তর্বর্তী সরকার কেবল নির্বাচনে সম্পৃক্ত ৬ প্রস্তাবে জুলাই সনদ করেছে: পরিবেশ উপদেষ্টা

উপদেষ্টা বলেন, ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার জন্য এবং দেশে অন্যায়ভাবে গুম, খুন, হত্যা বন্ধ করতে সংস্কার প্রয়োজন। সেজন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে সমর্থন দিতে হবে। তবে সংস্কার না চাইলে ‘না’ ভোটও দিতে পারবেন। এতে বাধ্যবাধকতা নেই।

গণভোটের মাধ্যমে দেশের মানুষ সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে রায় দিলে সংস্কার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন একটি নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে হতে যাচ্ছে। এখানে কেউ কাউকে ভোটদানে বাধা দিতে পারবে না।

উপদেষ্টা আরও বলেন, এখানে সংখ্যালঘু, আদিবাসী ভোটার আছেন। তারা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন সেজন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ নির্বাচন আগামী ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে, এটা পাঁচ বছরের জন্য নয়। কারণ এ নির্বাচনে একটি গণভোট হচ্ছে। গণভোটে চারটি প্রশ্ন একটি প্যাকেজ হিসেবে দেয়া হয়েছে, যেখানে হ্যাঁ অথবা না হবে। আপনি যদি সংস্কার চান, সংসদীয় গণতন্ত্র চান, আপনারা যদি চান ক্ষমতার ভারসাম্য হোক ক্ষমতা কেন্দ্রীভুক্ত যেন না হয়, আপনি যদি চান দেশে গুম খুন না হয়, মানুষ বিচার পায়, তাহলে আপনারা হ্যাঁ ভোট দেবেন। কারণ এই সংস্কারের জন্যই জাতিসংঘের হিসাব মতে ১৪০০ মানুষ জীবন দিয়েছে এবং ৩০ হাজার মানুষের অঙ্গহানি হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল ইসলাম; বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান; গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুল জলিল; রংপুরের জেলা প্রশাসক মো. এনামুল আহসান এবং দিনাজপুরের পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ নির্বাচন আগামী ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে: সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৫:০৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
176

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। কারণ এ নির্বাচনে একটি গণভোট হচ্ছে। হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত হলে বিভিন্ন সংস্কার বাস্তবায়িত হবে। নির্বাচনে সরকার হিসেবে আমরা কারও পক্ষে কিংবা বিপক্ষে অবস্থান নেব না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে দিনাজপুরের গড়ে শহীদ ময়দানে ভোটের গাড়ি পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটাররা তাদের ইচ্ছেমতো ভোট দিতে পারবেন। তাতে কেউ বাধা দিতে পারবে না, সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ফাওজুল কবির বলেন, বিগত সময়ে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। এদেশের ছাত্র- জনতা জুলাই আন্দোলনে প্রতিবাদের মাধ্যমে সেটির প্রতিফলন ঘটিয়েছে। এখন সময় এসেছে পছন্দর প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার।

অন্তর্বর্তী সরকার কেবল নির্বাচনে সম্পৃক্ত ৬ প্রস্তাবে জুলাই সনদ করেছে: পরিবেশ উপদেষ্টা

উপদেষ্টা বলেন, ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার জন্য এবং দেশে অন্যায়ভাবে গুম, খুন, হত্যা বন্ধ করতে সংস্কার প্রয়োজন। সেজন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে সমর্থন দিতে হবে। তবে সংস্কার না চাইলে ‘না’ ভোটও দিতে পারবেন। এতে বাধ্যবাধকতা নেই।

গণভোটের মাধ্যমে দেশের মানুষ সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে রায় দিলে সংস্কার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন একটি নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে হতে যাচ্ছে। এখানে কেউ কাউকে ভোটদানে বাধা দিতে পারবে না।

উপদেষ্টা আরও বলেন, এখানে সংখ্যালঘু, আদিবাসী ভোটার আছেন। তারা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন সেজন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ নির্বাচন আগামী ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে, এটা পাঁচ বছরের জন্য নয়। কারণ এ নির্বাচনে একটি গণভোট হচ্ছে। গণভোটে চারটি প্রশ্ন একটি প্যাকেজ হিসেবে দেয়া হয়েছে, যেখানে হ্যাঁ অথবা না হবে। আপনি যদি সংস্কার চান, সংসদীয় গণতন্ত্র চান, আপনারা যদি চান ক্ষমতার ভারসাম্য হোক ক্ষমতা কেন্দ্রীভুক্ত যেন না হয়, আপনি যদি চান দেশে গুম খুন না হয়, মানুষ বিচার পায়, তাহলে আপনারা হ্যাঁ ভোট দেবেন। কারণ এই সংস্কারের জন্যই জাতিসংঘের হিসাব মতে ১৪০০ মানুষ জীবন দিয়েছে এবং ৩০ হাজার মানুষের অঙ্গহানি হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল ইসলাম; বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান; গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুল জলিল; রংপুরের জেলা প্রশাসক মো. এনামুল আহসান এবং দিনাজপুরের পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা।