কাতার থেকে দেশের পথে রওনা হলো এলএনজিবাহী ট্যাংকার
- আপডেট সময় : ১১:১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রোববার, ৮ মার্চ ২০২৬
- / 60
জ্বালানি উৎপাদন সাময়িক বন্ধ থাকার পর আবার এলএনজি সরবরাহ শুরু করেছে কাতার। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, কাতারে এলএনজি লোড হওয়া একটি ট্যাংকার বাংলাদেশের দিকে রওনা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘লেব্রেথাহ’ নামের জাহাজটি শুক্রবার কাতারের রাস লাফান রপ্তানি টার্মিনাল ত্যাগ করেছে। জাহাজটি বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং আগামী ১৪ মার্চ পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এর আগে, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ‘আল ঘাশামিয়া’ নামের আরেকটি কার্গো জাহাজে পণ্য বোঝাই করা হয়েছিল; যা বর্তমানে পারস্য উপসাগরে অবস্থান করছে।
মজুত সত্ত্বেও দেশে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা
তবে এসব চালান শেষ পর্যন্ত গন্তব্যে পৌঁছাবে কি না, তা ঘিরে অনিশ্চয়তা রয়েছে। বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যে কৌশলগত ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে পরিবাহিত হয়, চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য তা কার্যকরভাবে বন্ধ রয়েছে। ব্লুমবার্গ বলছে, রুটটি পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত ‘লেব্রেথাহ’ ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
ব্লুমবার্গ আরও জানায়, এ সপ্তাহের শুরুতে আল ঘাশামিয়া নামের আরেকটি জাহাজে এলএনজি ভরা হয়েছে। এটি বর্তমানে পারস্য উপসাগরে অপেক্ষমাণ রয়েছে।
এর আগে, ইরানের ড্রোন হামলার পর কাতার বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র রাস লাফান বন্ধ করে দিয়েছিল। ওই হামলার আগেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। অবশ্য পণ্য বোঝাই বা গন্তব্যের বিষয়ে কাতারএনার্জির কোনও মুখপাত্র তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেননি।















নতুন পে-স্কেলের পর ওয়েজ বোর্ডের ‘গতিবেগ বাড়বে’: মন্ত্রিপরিষদ সচিব