হঠাৎ করে তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সংকট দেখা দিয়েছে : জ্বালানিমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০১:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
- / 61
দেশে হঠাৎ করে তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মূলত সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, তাই জনগণকে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করার আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, সবাই প্রয়োজন মতো তেল পাবেন এবং শঙ্কার কোনো কারণ নেই। প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল না নিলে সরবরাহ ঠিক থাকবে। তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে কাজ করে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, তবে সরকার এখনও তেলের দাম বাড়ায়নি।
মন্ত্রী বলেন, ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাইয়ের মধ্যে একটা গ্যাপ তৈরি হয়েছে। ডিমান্ড বেড়ে গেছে। আমরা একইভাবে সাপ্লাই করতাম সে সাপ্লাই চলছে। ডিমান্ড বেড়ে গেল তো সেখানে তো একটু ক্রাইসিস হবে। ক্রাইসিস হচ্ছে, এটা তো এটা তো সাধারণ জ্ঞান।
জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি সরকার গ্রহণ করবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কারো গাড়ি কি তেলের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে প্রশ্ন রেখে মন্ত্রী বলেন, সেটাও হয় নাই। ঈদের মধ্যে যে সবাই বাড়িতে গেল, কোনো বাস কি তেলের অভাবে বন্ধ হয়েছে? ঈদটা গেল কোনো তো অসুবিধা হয় নাই, তেলের জন্য কোনো অসুবিধা হইছে? তাহলে আমার মনে হয় যে, এখন কোনো অসুবিধা নাই। কিন্তু মানুষকে বোঝতে হবে। অকারণে মজুত করার কোনো দরকার নাই।
‘সংকট তো আমরা তৈরি করি নাই। আমরা ইমপোর্ট করি। পৃথিবীতে একটা গোলমাল লেগেছে, সেজন্য সবাইকে তো সাশ্রয়ী হতে হবে,’ বলেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়টি মন্ত্রণালয় দেখে না। সেটি এনার্জি কমিশন দেখে। আমরা এখনো দাম বাড়াইনি।
এদিকে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোতে সামরিক হামলা স্থগিত করার বিষয়ে ট্রাম্পের ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে হঠাৎ কমেছে জ্বালানি তেলের দাম। গতকাল অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ১৭ ডলার বা ১৫ শতাংশ কমে ৯৬ ডলারে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) প্রতি ব্যারেল ১৩ ডলার কমে ৮৫.২৮ ডলারে নেমেছে, যা ১৩.৫ শতাংশেরও বেশি পতনের সমতুল্য।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই পদক্ষেপ বাজারে অস্থিরতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ট্রাম্পের ঘোষণার আগে ইরানের হামলার আশঙ্কায় হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ প্রায় ব্যাহত হয়েছিল। এর ফলে যুদ্ধের শুরুতে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গিয়েছিল।





















সমগ্র বাংলাদেশকে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনতে হবে: অর্থমন্ত্রী