ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিশেষ সতর্কীকরণ নোটিশ ::
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীদের দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসসংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা হবে। এ জন্য ০১৩১৮২৩৪৯৬২, ০১৩১৮২৩৪৯৬৩, ০১৩২১১৩৯৫৪২ ও ০১৭০৯৬৫৪৭৯১ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। এছাড়া ffwcbwdb@gmail.com এবং ffwc05@yahoo.com ই-মেইলেও তথ্য পাওয়া যাবে।

ন্যাটো সম্মেলনের নিন্দা উত্তর কোরিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৫৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • / 13

তুরস্কের আঙ্কারায় ৭-৮ জুলাই অনুষ্ঠিত ন্যাটোর ৩৫ তম সম্মেলনের নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। বিশ্বে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ মার্কিন মিত্রদের দিয়েই শুরু হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছে দেশটি। শনিবার (১১ জুলাই) রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ন্যাটো নেতারা উত্তর কোরিয়ার বৈধ সার্বভৌম অধিকার চর্চাকে হুমকি হিসেবে দেখেন। ন্যাটো জোটটি অস্ত্র খাতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মিত্রদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতার মাধ্যমে জোট-ভিত্তিক সংঘাতের প্রতি আরও দৃঢ় অঙ্গীকার প্রদর্শন করেছে।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে কর্মকর্তারা ৫০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় এবং শিল্প চুক্তির ঘোষণা করেছেন। এই শীর্ষ সম্মেলনটির মাধ্যমে ন্যাটো যে যুদ্ধ ও সংঘাতের দিকে চালিত একটি সংস্থা তা প্রমাণিত হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ন্যাটো সম্মেলনের নিন্দা উত্তর কোরিয়ার

আপডেট সময় : ০২:৫৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

তুরস্কের আঙ্কারায় ৭-৮ জুলাই অনুষ্ঠিত ন্যাটোর ৩৫ তম সম্মেলনের নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। বিশ্বে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ মার্কিন মিত্রদের দিয়েই শুরু হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছে দেশটি। শনিবার (১১ জুলাই) রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ন্যাটো নেতারা উত্তর কোরিয়ার বৈধ সার্বভৌম অধিকার চর্চাকে হুমকি হিসেবে দেখেন। ন্যাটো জোটটি অস্ত্র খাতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মিত্রদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতার মাধ্যমে জোট-ভিত্তিক সংঘাতের প্রতি আরও দৃঢ় অঙ্গীকার প্রদর্শন করেছে।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে কর্মকর্তারা ৫০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় এবং শিল্প চুক্তির ঘোষণা করেছেন। এই শীর্ষ সম্মেলনটির মাধ্যমে ন্যাটো যে যুদ্ধ ও সংঘাতের দিকে চালিত একটি সংস্থা তা প্রমাণিত হয়েছে।