ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল কলকাতা, অবরুদ্ধ শহরের প্রাণকেন্দ্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • / 7

সর্বভারতীয় মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষার (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবাদী ছাত্র-ছাত্রীদের ওপরে পুলিশি দমন-পীড়নের অভিযোগকে সামনে রেখে প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়লো কলকাতার রাজপথে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) কলকাতায় মহামিছিলের ডাক দেয় এসএফআই, এআইডিএসও, ডিওয়াইএফআই, পিডিএসএফ, এআইএসএ-সহ ৮টি বামপন্থী ছাত্র যুব সংগঠন।

মহা মিছিল অংশ নেয় ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যরাও। এমনকি বহু অভিভাবকদেরও এই মিছিলে অংশ নিতে দেখা যায়। এদিন সকাল থেকেই সব সংগঠনের সদস্যরা একটু একটু করে শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে জমায়েত হতে থাকেন। এরপর বিকেলে সেখান থেকেই মিছিল করে ধর্মতলার দিকে এগোতে থাকেন তারা। ওই মিছিলে থেকে মুহুর্মুহু কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি উঠতে থাকে।

মিছিলকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অশান্তি না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে কলকাতা পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও মোতায়েন ছিল।

কলকাতায় বিক্ষোভ মিছিল শেষে ধর্মতলা চত্বরে অবস্থান নিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। তাদের অবস্থানের কারণে কলকাতা শহরের প্রাণকেন্দ্র প্রায় ৩ ঘণ্টার জন্য অবরুদ্ধ হয়ে যায়। সন্ধ্যায় ধর্মতলার মোড়ে বিক্ষোভরত আন্দোলনকারী এবং পুলিশের মধ্যে গন্ডগোল শুরু হয়। যদিও পুলিশের দাবি, মিছিলে ‘বাইরের কেউ ঢুকে পড়েছে’, এই সন্দেহ এবং অভিযোগে নিজেদের মধ্যেই মারপিট শুরু করেছিলেন বিক্ষোভকারীরা। যার ফলে কিছু ক্ষণের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল কলকাতা, অবরুদ্ধ শহরের প্রাণকেন্দ্র

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

সর্বভারতীয় মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষার (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবাদী ছাত্র-ছাত্রীদের ওপরে পুলিশি দমন-পীড়নের অভিযোগকে সামনে রেখে প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়লো কলকাতার রাজপথে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) কলকাতায় মহামিছিলের ডাক দেয় এসএফআই, এআইডিএসও, ডিওয়াইএফআই, পিডিএসএফ, এআইএসএ-সহ ৮টি বামপন্থী ছাত্র যুব সংগঠন।

মহা মিছিল অংশ নেয় ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যরাও। এমনকি বহু অভিভাবকদেরও এই মিছিলে অংশ নিতে দেখা যায়। এদিন সকাল থেকেই সব সংগঠনের সদস্যরা একটু একটু করে শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে জমায়েত হতে থাকেন। এরপর বিকেলে সেখান থেকেই মিছিল করে ধর্মতলার দিকে এগোতে থাকেন তারা। ওই মিছিলে থেকে মুহুর্মুহু কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি উঠতে থাকে।

মিছিলকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অশান্তি না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে কলকাতা পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও মোতায়েন ছিল।

কলকাতায় বিক্ষোভ মিছিল শেষে ধর্মতলা চত্বরে অবস্থান নিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। তাদের অবস্থানের কারণে কলকাতা শহরের প্রাণকেন্দ্র প্রায় ৩ ঘণ্টার জন্য অবরুদ্ধ হয়ে যায়। সন্ধ্যায় ধর্মতলার মোড়ে বিক্ষোভরত আন্দোলনকারী এবং পুলিশের মধ্যে গন্ডগোল শুরু হয়। যদিও পুলিশের দাবি, মিছিলে ‘বাইরের কেউ ঢুকে পড়েছে’, এই সন্দেহ এবং অভিযোগে নিজেদের মধ্যেই মারপিট শুরু করেছিলেন বিক্ষোভকারীরা। যার ফলে কিছু ক্ষণের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।