ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে চার হত্যা: ২ আসামির ডিএনএ সংগ্রহ ও ডোপ টেস্ট হবে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / 2

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ সংগ্রহ ও ডোপ টেস্ট করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এ তথ্য জানান।

এর আগে, মঙ্গলবার রাতে রংপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে জবানবন্দি দেন গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের বন্ধু সীমান্ত দাস।

মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাক্ষী হিসেবে সীমান্তের জবানবন্দি রেকর্ড করতে আদালতে আবেদন করা হয়। মঙ্গলবার বাবার সঙ্গে আদালতে এসে তিনি জবানবন্দি দেন। সীমান্ত আদালতে যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা গ্রেপ্তার দুই আসামি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির সঙ্গে হুবহু মিলে গেছে। আসামিরা ঘটনার রাতে সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করার যে তথ্য দিয়েছিলেন, সীমান্তও আদালতে একই কথা বলেছেন।

গত রোববার দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানিয়েছিল, হত্যাকাণ্ডের রাতে সীমান্তের বাড়িতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ মাদক সেবন করেছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

রংপুরে চার হত্যা: ২ আসামির ডিএনএ সংগ্রহ ও ডোপ টেস্ট হবে

আপডেট সময় : ০২:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ সংগ্রহ ও ডোপ টেস্ট করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এ তথ্য জানান।

এর আগে, মঙ্গলবার রাতে রংপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে জবানবন্দি দেন গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের বন্ধু সীমান্ত দাস।

মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাক্ষী হিসেবে সীমান্তের জবানবন্দি রেকর্ড করতে আদালতে আবেদন করা হয়। মঙ্গলবার বাবার সঙ্গে আদালতে এসে তিনি জবানবন্দি দেন। সীমান্ত আদালতে যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা গ্রেপ্তার দুই আসামি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির সঙ্গে হুবহু মিলে গেছে। আসামিরা ঘটনার রাতে সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করার যে তথ্য দিয়েছিলেন, সীমান্তও আদালতে একই কথা বলেছেন।

গত রোববার দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানিয়েছিল, হত্যাকাণ্ডের রাতে সীমান্তের বাড়িতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ মাদক সেবন করেছিলেন।