ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খরচের রেকর্ড ভেঙে প্রিমিয়ার লিগে নতুন ইতিহাস

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 27
124

শেষ হয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলে গ্রীষ্মকালীন দলবদল। এবারের দলবদলে খরচের সর্বকালের রেকর্ড ভেঙেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো। দলবদল মৌসুমে ইংল্যান্ডের শীর্ষ লিগের ক্লাবগুলো খরচ করেছে মোট ৩.৪৬ বিলিয়ন পাউন্ড, যা গত বছরের ৩.১৪ বিলিয়ন পাউন্ডের আগের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

ইলিমান এনদিয়ায়ের এভারটন থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে দলবদলের শেষ দিনে প্রিমিয়ার লিগের মোট খরচ আগের রেকর্ড অতিক্রম করে। এনদিয়ায়ের জন্য সিটি প্রাথমিকভাবে ৬ কোটি পাউন্ড খরচ করেছে। এরপর দলবদল বন্ধ হওয়ার কিছুক্ষণ পর চেলসি থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে এনজো ফার্নান্দেজের ১২ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের রেকর্ড ট্রান্সফারটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়।

শুধু শেষ দিনেই প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো খরচ করেছে ৪৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড, যা গত বছরের শেষ দিনের ৩৯১ মিলিয়ন পাউন্ডের চেয়ে অনেক বেশি। পাঁচ বছর আগেও যেখানে গ্রীষ্মকালীন দলবদলে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর সম্মিলিত খরচ ছিল ১.১৩ বিলিয়ন পাউন্ড, এবার সেই অঙ্ক তিন গুণেরও বেশি হয়েছে।

সবচেয়ে বড় ট্রান্সফারগুলোও প্রিমিয়ার লিগের
এবারের দলবদলে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ১০টি ট্রান্সফারের মধ্যে তিনটিই হয়েছে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর মাধ্যমে। শুধু তা-ই নয়, প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসের সবচেয়ে দামি পাঁচটি ট্রান্সফারের চারটিই এসেছে এই গ্রীষ্মে।

সবচেয়ে আলোচিত ছিল এনজো ফার্নান্দেজের চেলসি থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে ১২ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের ট্রান্সফার। এর আগে সিটি নটিংহাম ফরেস্টের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ১১ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ডে দলে ভেড়ায়। চেলসি অ্যাস্টন ভিলা থেকে মরগান রজার্সকে কিনেছে ১১ কোটি ৭০ লাখ পাউন্ডে।

লিভারপুল প্যারিস সেইন্ট- জার্মেইন ও ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড ব্র্যাডলি বারকোলার জন্য প্রাথমিকভাবে ১০ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ড দিয়েছে, যা বিভিন্ন শর্ত পূরণ হলে বেড়ে ১২ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড হতে পারে।

প্রিমিয়ার লিগের বাইরে ৬ কোটি পাউন্ডের বেশি ফি-তে এখন পর্যন্ত কেবল রিয়াল মাদ্রিদে ইয়ান দিয়োমান্দে এবং নিউক্যাসল থেকে বার্সেলোনায় অ্যান্থনি গর্ডনের ট্রান্সফার হয়েছে।

টটেনহ্যাম সান্দ্রো টোনালিকে ক্লাব-রেকর্ড ফিতে দলে নিয়েছে, যা বিভিন্ন শর্ত পূরণ হলে ১০ কোটি পাউন্ডে পৌঁছাতে পারে। একই ক্লাব ওয়েস্ট হ্যাম থেকে মাতেউস ফার্নান্দেসের জন্য ৮ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড এবং ম্যানচেস্টার সিটির সাভিওর জন্য সম্ভাব্য ৮ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডসহ ৭ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড খরচ করেছে।

এ ছাড়া সিটি লিলের আয়ুব বুয়াদ্দিকে ৮ কোটি ৫৬ লাখ পাউন্ডে, আর্সেনাল নিউক্যাসলের ব্রুনো গিমারায়েসকে ৭ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডে এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ব্রাইটনের কার্লোস বালেবাকে ৭ কোটি পাউন্ডে দলে নিয়েছে।

ফলে এবারের গ্রীষ্মে সম্পন্ন হওয়া সবচেয়ে দামি ২০টি ট্রান্সফারের মধ্যে মাত্র ছয়টি প্রিমিয়ার লিগের বাইরে হয়েছে।

সদ্য প্রিমিয়ার লিগে ওঠা ইপসউইচ টাউনও বার্সেলোনা, এসি মিলান, জুভেন্টাস এবং বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন পিএসজির চেয়ে বেশি অর্থ খরচ করেছে নতুন খেলোয়াড় কিনতে।

সবচেয়ে বেশি খরচ ম্যানচেস্টার সিটির
শেষ মুহূর্তে ফার্নান্দেজের ট্রান্সফার নিশ্চিত হওয়ার পর এবারের গ্রীষ্মে ম্যানচেস্টার সিটির মোট খেলোয়াড় কেনার খরচ দাঁড়িয়েছে ৪৫৮ মিলিয়ন পাউন্ডে। এক দলবদল মৌসুমে কোনো প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবের সর্বোচ্চ খরচের নতুন রেকর্ড এটি।

এর আগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৪১৫ মিলিয়ন পাউন্ড খরচের রেকর্ড ছিল লিভারপুলের। তবে বিপুল খরচের পাশাপাশি সিটি খেলোয়াড় বিক্রি করেও বড় অঙ্কের অর্থ পেয়েছে। তাদের বিক্রি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৩০৪ মিলিয়ন পাউন্ড।

খরচের তালিকায় দ্বিতীয় চেলসি। তারা খেলোয়াড় কিনতে মোট ৩৪৯ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করেছে। তবে খেলোয়াড় বিক্রি করে ৩৮২ মিলিয়ন পাউন্ড পাওয়ায় তাদের নিট হিসাবে ৩৩ মিলিয়ন পাউন্ড লাভ হয়েছে।

তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩০২ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছে টটেনহাম। নতুন মৌসুমে শীর্ষ পর্যায়ে ফেরার লক্ষ্যেই বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছে উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি।

সদ্য প্রিমিয়ার লিগে ওঠা ইপসউইচ টাউনও তাৎপর্যপূর্ণভাবে ১৭১ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছে, যাতে দ্রুত চ্যাম্পিয়নশিপে ফিরে যেতে না হয়। তাদের খরচ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ১৪৮ মিলিয়ন পাউন্ডের চেয়েও বেশি।

আরেক নবাগত হাল সিটিও ছিল ব্যস্ত। তারা মোট ১৮ জন নতুন খেলোয়াড় দলে নিয়েছে, যার মধ্যে দলবদলের শেষ দিনেই এসেছে ছয়জন।

১১ ক্লাব ভেঙেছে নিজেদের ট্রান্সফার রেকর্ড
এবারের দলবদলে শুধু বড় ক্লাবগুলোই নয়, প্রিমিয়ার লিগের মাঝারি ও নবাগত ক্লাবগুলোও ব্যাপক অর্থ খরচ করেছে। লিগের ২০টি ক্লাবের মধ্যে ১১টি নিজেদের ক্লাব-রেকর্ড ট্রান্সফার ফি ভেঙেছে। এর মধ্যে ছয়টি ক্লাব একাধিকবার নিজেদের রেকর্ড ভেঙেছে।

কভেন্ট্রি সিটি, যারা ইপসউইচ ও হালের সঙ্গে এবার প্রিমিয়ার লিগে উঠেছে, নিজেদের ট্রান্সফার রেকর্ড ভেঙেছে চারবার।

প্রথমে অরেল আমেন্দাকে ১ কোটি ৫৪ লাখ পাউন্ডে দলে নেয় তারা। এরপর লুম তশাউনাকে ২ কোটি পাউন্ডে কিনে সেই রেকর্ড ভাঙে। গোলকিপার কার্ল রাশওয়ার্থকে ২ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডে স্থায়ীভাবে দলে নেওয়ার পর নতুন রেকর্ড গড়েন ক্যালেব ইয়েরেনকি, যাকে ২ কোটি ৩১ লাখ পাউন্ডে সই করিয়েছে ক্লাবটি।

অ্যাস্টন ভিলা ও ইপসউইচও একাধিকবার নিজেদের ক্লাব-রেকর্ড ট্রান্সফার ফি ভেঙেছে।

এ ছাড়া লিডস ইউনাইটেডের জেমস ট্র্যাফোর্ড, ব্রেন্টফোর্ডের মামাদু সাঙ্গারে, ব্রাইটনের লুকা ভুশকোভিচ এবং নটিংহ্যাম ফরেস্টের লিয়াম ডেলাপ—সবাই ৪ কোটি পাউন্ডের বেশি ফিতে নিজ নিজ ক্লাবের রেকর্ড সাইনিং হয়েছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

খরচের রেকর্ড ভেঙে প্রিমিয়ার লিগে নতুন ইতিহাস

আপডেট সময় : ১২:২৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
124

শেষ হয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলে গ্রীষ্মকালীন দলবদল। এবারের দলবদলে খরচের সর্বকালের রেকর্ড ভেঙেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো। দলবদল মৌসুমে ইংল্যান্ডের শীর্ষ লিগের ক্লাবগুলো খরচ করেছে মোট ৩.৪৬ বিলিয়ন পাউন্ড, যা গত বছরের ৩.১৪ বিলিয়ন পাউন্ডের আগের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

ইলিমান এনদিয়ায়ের এভারটন থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে দলবদলের শেষ দিনে প্রিমিয়ার লিগের মোট খরচ আগের রেকর্ড অতিক্রম করে। এনদিয়ায়ের জন্য সিটি প্রাথমিকভাবে ৬ কোটি পাউন্ড খরচ করেছে। এরপর দলবদল বন্ধ হওয়ার কিছুক্ষণ পর চেলসি থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে এনজো ফার্নান্দেজের ১২ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের রেকর্ড ট্রান্সফারটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়।

শুধু শেষ দিনেই প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো খরচ করেছে ৪৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড, যা গত বছরের শেষ দিনের ৩৯১ মিলিয়ন পাউন্ডের চেয়ে অনেক বেশি। পাঁচ বছর আগেও যেখানে গ্রীষ্মকালীন দলবদলে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর সম্মিলিত খরচ ছিল ১.১৩ বিলিয়ন পাউন্ড, এবার সেই অঙ্ক তিন গুণেরও বেশি হয়েছে।

সবচেয়ে বড় ট্রান্সফারগুলোও প্রিমিয়ার লিগের
এবারের দলবদলে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ১০টি ট্রান্সফারের মধ্যে তিনটিই হয়েছে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর মাধ্যমে। শুধু তা-ই নয়, প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসের সবচেয়ে দামি পাঁচটি ট্রান্সফারের চারটিই এসেছে এই গ্রীষ্মে।

সবচেয়ে আলোচিত ছিল এনজো ফার্নান্দেজের চেলসি থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে ১২ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের ট্রান্সফার। এর আগে সিটি নটিংহাম ফরেস্টের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ১১ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ডে দলে ভেড়ায়। চেলসি অ্যাস্টন ভিলা থেকে মরগান রজার্সকে কিনেছে ১১ কোটি ৭০ লাখ পাউন্ডে।

লিভারপুল প্যারিস সেইন্ট- জার্মেইন ও ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড ব্র্যাডলি বারকোলার জন্য প্রাথমিকভাবে ১০ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ড দিয়েছে, যা বিভিন্ন শর্ত পূরণ হলে বেড়ে ১২ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড হতে পারে।

প্রিমিয়ার লিগের বাইরে ৬ কোটি পাউন্ডের বেশি ফি-তে এখন পর্যন্ত কেবল রিয়াল মাদ্রিদে ইয়ান দিয়োমান্দে এবং নিউক্যাসল থেকে বার্সেলোনায় অ্যান্থনি গর্ডনের ট্রান্সফার হয়েছে।

টটেনহ্যাম সান্দ্রো টোনালিকে ক্লাব-রেকর্ড ফিতে দলে নিয়েছে, যা বিভিন্ন শর্ত পূরণ হলে ১০ কোটি পাউন্ডে পৌঁছাতে পারে। একই ক্লাব ওয়েস্ট হ্যাম থেকে মাতেউস ফার্নান্দেসের জন্য ৮ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড এবং ম্যানচেস্টার সিটির সাভিওর জন্য সম্ভাব্য ৮ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডসহ ৭ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড খরচ করেছে।

এ ছাড়া সিটি লিলের আয়ুব বুয়াদ্দিকে ৮ কোটি ৫৬ লাখ পাউন্ডে, আর্সেনাল নিউক্যাসলের ব্রুনো গিমারায়েসকে ৭ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডে এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ব্রাইটনের কার্লোস বালেবাকে ৭ কোটি পাউন্ডে দলে নিয়েছে।

ফলে এবারের গ্রীষ্মে সম্পন্ন হওয়া সবচেয়ে দামি ২০টি ট্রান্সফারের মধ্যে মাত্র ছয়টি প্রিমিয়ার লিগের বাইরে হয়েছে।

সদ্য প্রিমিয়ার লিগে ওঠা ইপসউইচ টাউনও বার্সেলোনা, এসি মিলান, জুভেন্টাস এবং বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন পিএসজির চেয়ে বেশি অর্থ খরচ করেছে নতুন খেলোয়াড় কিনতে।

সবচেয়ে বেশি খরচ ম্যানচেস্টার সিটির
শেষ মুহূর্তে ফার্নান্দেজের ট্রান্সফার নিশ্চিত হওয়ার পর এবারের গ্রীষ্মে ম্যানচেস্টার সিটির মোট খেলোয়াড় কেনার খরচ দাঁড়িয়েছে ৪৫৮ মিলিয়ন পাউন্ডে। এক দলবদল মৌসুমে কোনো প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবের সর্বোচ্চ খরচের নতুন রেকর্ড এটি।

এর আগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৪১৫ মিলিয়ন পাউন্ড খরচের রেকর্ড ছিল লিভারপুলের। তবে বিপুল খরচের পাশাপাশি সিটি খেলোয়াড় বিক্রি করেও বড় অঙ্কের অর্থ পেয়েছে। তাদের বিক্রি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৩০৪ মিলিয়ন পাউন্ড।

খরচের তালিকায় দ্বিতীয় চেলসি। তারা খেলোয়াড় কিনতে মোট ৩৪৯ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করেছে। তবে খেলোয়াড় বিক্রি করে ৩৮২ মিলিয়ন পাউন্ড পাওয়ায় তাদের নিট হিসাবে ৩৩ মিলিয়ন পাউন্ড লাভ হয়েছে।

তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩০২ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছে টটেনহাম। নতুন মৌসুমে শীর্ষ পর্যায়ে ফেরার লক্ষ্যেই বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছে উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি।

সদ্য প্রিমিয়ার লিগে ওঠা ইপসউইচ টাউনও তাৎপর্যপূর্ণভাবে ১৭১ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছে, যাতে দ্রুত চ্যাম্পিয়নশিপে ফিরে যেতে না হয়। তাদের খরচ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ১৪৮ মিলিয়ন পাউন্ডের চেয়েও বেশি।

আরেক নবাগত হাল সিটিও ছিল ব্যস্ত। তারা মোট ১৮ জন নতুন খেলোয়াড় দলে নিয়েছে, যার মধ্যে দলবদলের শেষ দিনেই এসেছে ছয়জন।

১১ ক্লাব ভেঙেছে নিজেদের ট্রান্সফার রেকর্ড
এবারের দলবদলে শুধু বড় ক্লাবগুলোই নয়, প্রিমিয়ার লিগের মাঝারি ও নবাগত ক্লাবগুলোও ব্যাপক অর্থ খরচ করেছে। লিগের ২০টি ক্লাবের মধ্যে ১১টি নিজেদের ক্লাব-রেকর্ড ট্রান্সফার ফি ভেঙেছে। এর মধ্যে ছয়টি ক্লাব একাধিকবার নিজেদের রেকর্ড ভেঙেছে।

কভেন্ট্রি সিটি, যারা ইপসউইচ ও হালের সঙ্গে এবার প্রিমিয়ার লিগে উঠেছে, নিজেদের ট্রান্সফার রেকর্ড ভেঙেছে চারবার।

প্রথমে অরেল আমেন্দাকে ১ কোটি ৫৪ লাখ পাউন্ডে দলে নেয় তারা। এরপর লুম তশাউনাকে ২ কোটি পাউন্ডে কিনে সেই রেকর্ড ভাঙে। গোলকিপার কার্ল রাশওয়ার্থকে ২ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডে স্থায়ীভাবে দলে নেওয়ার পর নতুন রেকর্ড গড়েন ক্যালেব ইয়েরেনকি, যাকে ২ কোটি ৩১ লাখ পাউন্ডে সই করিয়েছে ক্লাবটি।

অ্যাস্টন ভিলা ও ইপসউইচও একাধিকবার নিজেদের ক্লাব-রেকর্ড ট্রান্সফার ফি ভেঙেছে।

এ ছাড়া লিডস ইউনাইটেডের জেমস ট্র্যাফোর্ড, ব্রেন্টফোর্ডের মামাদু সাঙ্গারে, ব্রাইটনের লুকা ভুশকোভিচ এবং নটিংহ্যাম ফরেস্টের লিয়াম ডেলাপ—সবাই ৪ কোটি পাউন্ডের বেশি ফিতে নিজ নিজ ক্লাবের রেকর্ড সাইনিং হয়েছেন।