ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিম বঙ্গে ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২০:২৪ অপরাহ্ন, রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 7

ভারতের পশ্চিম বঙ্গে প্রথম দফায় ২৫২ টি মাদ্রাসা বন্ধের নোটিস দিল রাজ্য সরকার (West bengal Goverment)। এবং ১০০ টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হল। ২৫২টি মাদ্রাসা মধ্যে অধিকাংশই খারিজি মাদ্রাসা বলে খবর। কলকাতা-সহ ২২ জুলাই মাদ্রাসা নিয়ে সমীক্ষা চালায় রাজ্য। সমীক্ষাটি চালিয়েছিল ‘সংখ্যালঘু এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর। তার মধ্যে ২ হাজার ৩৯৬ টি মাদ্রাসায় প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন নেই বলে জানা যাচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দিয়েছিলেন, জেলায় জেলায় কত অনুমোদন যুক্ত এবং কত অনুমোদনহীন মাদ্রাসা রয়েছে তার সমীক্ষা করতে হবে। তারপরেই জেলায় জেলায় শুরু হয় এই সমীক্ষা। রাজ্যের তরফে যে সমীক্ষা চালানো হয়েছে তাতে দেখা হয়েছে মাদ্রাসার পরিচালন ব্যবস্থা পড়ুয়ার সংখ্যা অর্থের উৎস ,নথিভুক্তের অবস্থান, ইত্যাদি নানা বিষয়। যে সমস্ত মাদ্রাসাগুলিকে শোকজ করা হয়েছে তাদের প্রমাণ করতে হবে যে মাদ্রাসা চালানোর মতো তাদের পরি কাঠামো রয়েছে কি না। প্রমাণ করতে না পারলে সেই সমস্ত মাদ্রাসাগুলির বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেবে রাজ্য সরকার। প্রথম দফায় ২৫২ টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হয়েছে এবং সেই নোটিসের কপি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলা শাসকদের কাছে।

সংলঘু উন্নয়ন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, “যাচাইকরণ হয়েছে। কলকাতা সহ ২২টি জেলার সব মাদ্রাসা সংক্রান্ত সব নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। যে সকল মাদ্রাসার অনুমোদন রয়েছে তা সব চালু রয়ছে।” ফুরফুরা শরিফেপ পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী বলেন, “কেন শোকজ করা হবে?কেন বন্ধ করা হবে সেটা আগে বাংলার মানুষকে জানানো হোক। আমরা মানুষের কাছে ভীক্ষা করে এই মাদ্রাসা চালাই। কীসের জন্য এমন করা হল? সরকারি অনুমোদন ছাড়া অনেক ক্লাব আছে, সেগুলো তো সাহায্য করা হয়। আর অনুমোদন নিতেই বা হবে কেন? মাদ্রাসা মানে ধর্মীয় শিক্ষা নয়। এখন এটাই মানুষের মধ্যে ঢুকে গেছে। ওইখানে ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে সরকারি সিলেবাসও পড়ানো হয়।”

বস্তুত, স্বীকৃতিহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে উত্তরাখণ্ড সরকারও। ইতিমধ্যেই সেখানে একাধিক মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সে রাজ্যের সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু উত্তরাখণ্ড নয়, এবার বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পশ্চিম বঙ্গে ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০১:২০:২৪ অপরাহ্ন, রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের পশ্চিম বঙ্গে প্রথম দফায় ২৫২ টি মাদ্রাসা বন্ধের নোটিস দিল রাজ্য সরকার (West bengal Goverment)। এবং ১০০ টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হল। ২৫২টি মাদ্রাসা মধ্যে অধিকাংশই খারিজি মাদ্রাসা বলে খবর। কলকাতা-সহ ২২ জুলাই মাদ্রাসা নিয়ে সমীক্ষা চালায় রাজ্য। সমীক্ষাটি চালিয়েছিল ‘সংখ্যালঘু এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর। তার মধ্যে ২ হাজার ৩৯৬ টি মাদ্রাসায় প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন নেই বলে জানা যাচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দিয়েছিলেন, জেলায় জেলায় কত অনুমোদন যুক্ত এবং কত অনুমোদনহীন মাদ্রাসা রয়েছে তার সমীক্ষা করতে হবে। তারপরেই জেলায় জেলায় শুরু হয় এই সমীক্ষা। রাজ্যের তরফে যে সমীক্ষা চালানো হয়েছে তাতে দেখা হয়েছে মাদ্রাসার পরিচালন ব্যবস্থা পড়ুয়ার সংখ্যা অর্থের উৎস ,নথিভুক্তের অবস্থান, ইত্যাদি নানা বিষয়। যে সমস্ত মাদ্রাসাগুলিকে শোকজ করা হয়েছে তাদের প্রমাণ করতে হবে যে মাদ্রাসা চালানোর মতো তাদের পরি কাঠামো রয়েছে কি না। প্রমাণ করতে না পারলে সেই সমস্ত মাদ্রাসাগুলির বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেবে রাজ্য সরকার। প্রথম দফায় ২৫২ টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হয়েছে এবং সেই নোটিসের কপি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলা শাসকদের কাছে।

সংলঘু উন্নয়ন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, “যাচাইকরণ হয়েছে। কলকাতা সহ ২২টি জেলার সব মাদ্রাসা সংক্রান্ত সব নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। যে সকল মাদ্রাসার অনুমোদন রয়েছে তা সব চালু রয়ছে।” ফুরফুরা শরিফেপ পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী বলেন, “কেন শোকজ করা হবে?কেন বন্ধ করা হবে সেটা আগে বাংলার মানুষকে জানানো হোক। আমরা মানুষের কাছে ভীক্ষা করে এই মাদ্রাসা চালাই। কীসের জন্য এমন করা হল? সরকারি অনুমোদন ছাড়া অনেক ক্লাব আছে, সেগুলো তো সাহায্য করা হয়। আর অনুমোদন নিতেই বা হবে কেন? মাদ্রাসা মানে ধর্মীয় শিক্ষা নয়। এখন এটাই মানুষের মধ্যে ঢুকে গেছে। ওইখানে ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে সরকারি সিলেবাসও পড়ানো হয়।”

বস্তুত, স্বীকৃতিহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে উত্তরাখণ্ড সরকারও। ইতিমধ্যেই সেখানে একাধিক মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সে রাজ্যের সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু উত্তরাখণ্ড নয়, এবার বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে।