তেলের দাম কমলে সরকার অবশ্যই সমন্বয় করবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

- আপডেট সময় : ০১:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
- / 3
বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমে স্থিতিশীল অবস্থায় থাকলে দেশের বাজারেও জ্বালানি তেলের দাম কমানোর বিষয়ে সরকার অবশ্যই সমন্বয় করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে তেলের দাম কমার পর দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ কথা বলেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে বর্তমানে যে দাম দেখা যাচ্ছে, তা দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল থাকবে কি না, এখনই বলা কঠিন।
তিনি বলেন, দেশে তেলের দাম বাড়ানোর সময়ও বিশ্ববাজারে দাম সাময়িকভাবে কমেছিল। কিন্তু তিন-চার দিন পর আবার তা বেড়ে ১০৬-১০৭ ডলারে উঠে যায়। এখন আবার দাম ১০০ ডলারের নিচে নেমেছে।
বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইউরোপের দেশগুলো কৌশলগত মজুত থেকে তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর প্রভাবেও দাম কমেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি।
তিনি বলেন, তাই ৮৯ ডলারে তেলের দাম এসেছে বলেই এটা স্থায়ীভাবে থাকবে, এখনই এমনটা মনে করা সহজ নয়। তেলের দাম যদি কম মূল্যে স্থিতিশীল হয়, তাহলে সরকার অবশ্যই দাম সমন্বয় করবে।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের ওপর পড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতি বাড়ে এবং বিনিয়োগ কমে যায়। বিনিয়োগ কমলে কর্মসংস্থানও কমে আসে। এতে মানুষ চাকরি হারায় এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ কমে যায়।
জাহেদ উর রহমান বলেন, এই পরিস্থিতি সরকারের জন্য মোটেও ভালো কিছু নয়। সরকার বিষয়টি নিয়ে সংবেদনশীল। তেলের দামের পরিস্থিতি আমরা বিবেচনা করব।
তিনি আবারও বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কম দামে স্থিতিশীল হলে দেশের বাজারেও জ্বালানি তেলের দাম কমানোর বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এলপিজির মূল্য সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে সরকার। তবে নির্ধারিত দামেও এলপিজি না পেলে নজরদারি বাড়াতে জেলা প্রশাসক দের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এদিকে অনিয়ম ও অবৈধ মজুতের জন্য জরিমানা জোরদার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন জাহেদ উর রহমান। ২ অক্টোবর রুপপুর পারমানবিক কেন্দ্রের জ্বালানি এসে পৌঁছেছে বলেও জানান তিনি।
ভিজিএফ চাল দ্বিগুণ করা হয়েছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি ও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভিজিএফ কার্যক্রমের আওতায় ১০ কেজি চালের জায়গায় এখন থেকে ২০ কেজি চাল দেয়া হবে।




















