ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ খাদ্যসংকটের শঙ্কা; সতর্ক করলো জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • / 65

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে সারের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সারের চালান প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এর ফলে খাদ্যশস্যের উৎপাদন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে খাদ্যের দামের ওপর। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তরেরো আল-জাজিরাকে বলেন, ‘পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কারণ, সারের এই সংকট ‘‘শস্য ক্যালেন্ডার’’ বা চাষাবাদের মৌসুমের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। এশিয়ার কিছু দেশে এরই মধ্যে চাষের মৌসুম পেরিয়ে গেছে।’

তিনি আরও জানান, সার সংকটের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের মতো বড় রপ্তানিকারক দেশগুলো গম বা ভুট্টার বদলে সয়াবিন চাষের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে, কারণ সয়াবিনে নাইট্রোজেনের প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন। আবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় অনেক কৃষক খাদ্যশস্যের বদলে ‘বায়োফুয়েল’ বা জৈব জ্বালানি তৈরির শস্য উৎপাদনে আগ্রহী হতে পারেন।

ম্যাক্সিমো তরেরো সতর্ক করে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে গম ও সয়াবিনের দাম এরই মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হবে এবং আগামী বছর নাগাদ খাদ্যপণ্যের দাম ও মূল্যস্ফীতি ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘ঘড়ির কাঁটা যত এগোচ্ছে এবং দিন যত পার হচ্ছে, পরিস্থিতি ততই শোচনীয় হয়ে উঠছে। এটি এমন এক সংকট, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বড় হচ্ছে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ খাদ্যসংকটের শঙ্কা; সতর্ক করলো জাতিসংঘ

আপডেট সময় : ১০:৩৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে সারের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সারের চালান প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এর ফলে খাদ্যশস্যের উৎপাদন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে খাদ্যের দামের ওপর। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তরেরো আল-জাজিরাকে বলেন, ‘পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কারণ, সারের এই সংকট ‘‘শস্য ক্যালেন্ডার’’ বা চাষাবাদের মৌসুমের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। এশিয়ার কিছু দেশে এরই মধ্যে চাষের মৌসুম পেরিয়ে গেছে।’

তিনি আরও জানান, সার সংকটের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের মতো বড় রপ্তানিকারক দেশগুলো গম বা ভুট্টার বদলে সয়াবিন চাষের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে, কারণ সয়াবিনে নাইট্রোজেনের প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন। আবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় অনেক কৃষক খাদ্যশস্যের বদলে ‘বায়োফুয়েল’ বা জৈব জ্বালানি তৈরির শস্য উৎপাদনে আগ্রহী হতে পারেন।

ম্যাক্সিমো তরেরো সতর্ক করে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে গম ও সয়াবিনের দাম এরই মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হবে এবং আগামী বছর নাগাদ খাদ্যপণ্যের দাম ও মূল্যস্ফীতি ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘ঘড়ির কাঁটা যত এগোচ্ছে এবং দিন যত পার হচ্ছে, পরিস্থিতি ততই শোচনীয় হয়ে উঠছে। এটি এমন এক সংকট, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বড় হচ্ছে।’