ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলী খামেনির দাফন ৯ জুলাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • / 68

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে আগামী ৯ জুলাই তার নিজ শহর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পবিত্র নগরী মাশহাদে দাফন করা হবে বলে শনিবার জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

প্রায় ৩৭ বছর ইরানের নেতৃত্ব দেওয়া খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত হন।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে তেহরান থেকে এএফপি জানায়, রাজধানী তেহরানে আগামী ৪ জুলাই থেকে তিন দিনব্যাপী তার বিদায়ী আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ৭ জুলাই পবিত্র নগরী কোমে আরেকটি শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মার্চ মাসে নির্ধারিত দাফন অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছিল।

জাতীয় পর্যায়ের এই শোকানুষ্ঠান শুরুর দিন ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গেও মিলে যাচ্ছে। এ বছর দেশটি স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে।

খামেনির মৃত্যুর পর মার্চের শুরুতে তার ছেলে মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর তিনি দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, পিতার সঙ্গে একই হামলায় আহত হওয়া মোজতবা খামেনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখনো জনসমক্ষে আসেননি। তার নামে প্রকাশিত বিবৃতির মাধ্যমেই তিনি যোগাযোগ রক্ষা করছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আলী খামেনির দাফন ৯ জুলাই

আপডেট সময় : ১১:৩৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে আগামী ৯ জুলাই তার নিজ শহর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পবিত্র নগরী মাশহাদে দাফন করা হবে বলে শনিবার জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

প্রায় ৩৭ বছর ইরানের নেতৃত্ব দেওয়া খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত হন।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে তেহরান থেকে এএফপি জানায়, রাজধানী তেহরানে আগামী ৪ জুলাই থেকে তিন দিনব্যাপী তার বিদায়ী আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ৭ জুলাই পবিত্র নগরী কোমে আরেকটি শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মার্চ মাসে নির্ধারিত দাফন অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছিল।

জাতীয় পর্যায়ের এই শোকানুষ্ঠান শুরুর দিন ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গেও মিলে যাচ্ছে। এ বছর দেশটি স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে।

খামেনির মৃত্যুর পর মার্চের শুরুতে তার ছেলে মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর তিনি দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, পিতার সঙ্গে একই হামলায় আহত হওয়া মোজতবা খামেনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখনো জনসমক্ষে আসেননি। তার নামে প্রকাশিত বিবৃতির মাধ্যমেই তিনি যোগাযোগ রক্ষা করছেন।