শ্রীলঙ্কায় একযোগে কয়েকটি কারাগারে দাঙ্গা, হতাহত ২৬
- আপডেট সময় : ১২:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
- / 10
শ্রীলঙ্কার একাধিক কারাগারে দাঙ্গায় তিনজন বন্দি নিহত এবং অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন। এরপরই দেশটির কারাগারগুলো ঘিরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) পার্লামেন্টে দেশটির জননিরাপত্তা মন্ত্রী আনন্দ উইজেপালা জানান, গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) গভীর রাতে রাজধানী কলম্বোর নিউ ম্যাগাজিন প্রিজনে ৪০ জন বন্দি সেল ভেঙে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সেখানে এক বন্দি নিহত হন।
তিনি আরও জানান, শুক্রবার সকালে রাজধানী থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কুরুবিতা কারাগারে পৃথক দাঙ্গায় আরও দুই বন্দি প্রাণ হারান।
উইজেপালা বলেন, এই দুটি ঘটনায় ২৩ জন বন্দি আহত হয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশ ও বিশেষ বাহিনী উভয় কারাগারের দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।
এ ছাড়া পুলিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, শুক্রবার কলম্বো থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরের উপকূলীয় শহর নেগম্বোর একটি খোলা কারাগারে বিক্ষোভকারী বন্দিদের নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, তিনটি কারাগারেই ছাদে উঠে যাওয়া কিংবা খোলা মাঠে নেমে আসা বন্দিদের নিজ নিজ ওয়ার্ডে ফিরিয়ে নিতে কাজ করেছে দাঙ্গা পুলিশ।
পার্লামেন্টে উইজেপালা বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ও প্রতিদ্বন্দ্বী অপরাধী গ্যাংগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই এমন সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এই দাঙ্গাগুলো কোনো সুসংগঠিত পরিকল্পনার অংশ ছিল কি না তা খতিয়ে দেখছে সরকার।
এর আগে নেগম্বোর একটি কারাগারে দুদিনের সংঘর্ষে ১০ জন কারারক্ষী ও ২০ জন বন্দি নিহত হওয়ার ঠিক এক মাসের মাথায় নতুন করে এই বিশৃঙ্খলা দেখা দিল। এ ছাড়া গত সপ্তাহে কলম্বো থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরের মাহারা কারাগারে এক দাঙ্গায় এক বন্দি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।
বর্তমানে শ্রীলঙ্কার কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দির চাপ সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। সম্প্রতি পার্লামেন্টে দেশটির আইনমন্ত্রী হর্ষণ নানায়ক্কার জানান, শ্রীলঙ্কার কারাগারগুলোর মোট ধারণক্ষমতা মাত্র ১০ হাজার হলেও সেখানে বর্তমানে ৩৯ হাজারের বেশি বন্দিকে গাদাগাদি করে রাখা হয়েছে।



























বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ: প্রধানমন্ত্রী