নির্বাচনে নিজ দেশের সমর্থনও হারালেন ইনফান্তিনো

- আপডেট সময় : ০৩:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
- / 1
ফিফা সভাপতি হিসেবে আরেক মেয়াদে থাকার লড়াইয়ে বড় ধাক্কা খেলেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। এবার তার প্রার্থিতা থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে নিজ দেশ সুইজারল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এসএফভি)। জুনে সমর্থন দেওয়ার পর মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে অবস্থান বদলাল সংস্থাটি।
জুলাইয়ে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে অংশীদারত্ব বিক্রির প্রস্তাব দিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন ইনফান্তিনো। এরপর ইংল্যান্ড, ওয়েলস, ফ্রান্স, সার্বিয়াসহ ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও তার প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করেছে।
চলতি সপ্তাহে বৈঠকে ইনফান্তিনোর প্রার্থিতায় সমর্থন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় এসএফভির কেন্দ্রীয় কমিটি। বুধবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ‘জুন ২০২৬-এ জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর আরও এক মেয়াদে ফিফা সভাপতি পদে প্রার্থিতার প্রতি যে সমর্থন ঘোষণা করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
সুইস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের নেওয়া এই সিদ্ধান্তটিকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ ইনফান্তিনো নিজে সুইস নাগরিক এবং ফিফা ও ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউয়েফা—দুটির সদর দপ্তরই সুইজারল্যান্ডে।
এসএফভি আরও বলেছে, ‘গত কয়েক মাসের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ বিস্তৃতভাবে পর্যালোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসএফভির দৃষ্টিতে, সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনা ফিফার নেতৃত্ব, সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে মৌলিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।’
ইনফান্তিনোর ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) প্রস্তাব অনুযায়ী বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করার পরিকল্পনা করা হয়। পরে তীব্র সমালোচনার মুখে সেটি বাতিল করেন তিনি।
ইনফান্তিনোর প্রস্তাব নিয়ে এসএফভির সভাপতি পিটার ক্নাবেল বলেন, ‘এই প্রস্তাবের পটভূমি, দায়িত্ব বণ্টন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের এখনো উত্তর পাওয়া যায়নি।’
২০২৭ সালের মার্চে ফিফা সভাপতির পরবর্তী নির্বাচন। সেই নির্বাচনে চতুর্থ মেয়াদের জন্য প্রার্থী হওয়ার কথা রয়েছে ইনফান্তিনোর। তার সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়ার শেষ সময় ১৮ নভেম্বর। নির্বাচনের আগে নিজ দেশের সমর্থন হারানোয় ইনফান্তিনোর ওপর চাপ আরও বাড়ল।





















