ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রিজার্ভ চুরির ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার বাজেয়াপ্ত: সিআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৩৮ অপরাহ্ন, রোববার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 50

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় ফিলিপিন্সের আরসিবিসি (আরসিবিসি) ব্যাংকের ৮১ মিলিয়ন (৮ কোটি ১০ লাখ) ডলার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আজ (রোববার, ২১ সেপ্টেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আদালতের মাধ্যমে সিআইডি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় ফিলিপিন্সের আরসিবিসি ব্যাংকের ৮১ মিলিয়ন ডলার বাজেয়াপ্ত করেছে।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সুইফট কোড ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। এর মধ্যে ফিলিপাইনের মাকাতি সিটির আরসিবিসি ব্যাংকের মাধ্যমে পাচার করা অর্থের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে বাজেয়াপ্ত প্রক্রিয়ায় ছিল। অবশেষে দীর্ঘ আইনি লড়াই ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে ওই অর্থ বাজেয়াপ্ত হলো।

শুল্কমুক্ত বিলাসবহুল ৩০ গাড়ি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়ার সিদ্ধান্ত

শ্রীলঙ্কায় পাঠানো প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ফেরত আসে। তবে বাকি ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপিন্সের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) মাকাতি সিটির জুপিটার শাখার কয়েকটি ভুয়া হিসাবে জমা হয়।

পরে এই অর্থ বিভিন্ন ক্যাসিনোর মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। ঘটনাটি ইতিহাসের অন্যতম বড় সাইবার ডাকাতি হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশ ব্যাংক এ ঘটনায় মামলা দায়ের করে এবং ফিলিপিন্সসহ বিভিন্ন দেশে তদন্ত শুরু হয়। ফিলিপিন্সের আদালতে আরসিবিসি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মায়া ডিগুইটো মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন।

সিআইডি জানিয়েছে, বাজেয়াপ্ত অর্থ দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেন। মামলাটি দায়ের করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫), তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬ এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায়। বর্তমানে মামলাটি সিআইডির তদন্তাধীন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রিজার্ভ চুরির ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার বাজেয়াপ্ত: সিআইডি

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৩৮ অপরাহ্ন, রোববার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় ফিলিপিন্সের আরসিবিসি (আরসিবিসি) ব্যাংকের ৮১ মিলিয়ন (৮ কোটি ১০ লাখ) ডলার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আজ (রোববার, ২১ সেপ্টেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আদালতের মাধ্যমে সিআইডি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় ফিলিপিন্সের আরসিবিসি ব্যাংকের ৮১ মিলিয়ন ডলার বাজেয়াপ্ত করেছে।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সুইফট কোড ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। এর মধ্যে ফিলিপাইনের মাকাতি সিটির আরসিবিসি ব্যাংকের মাধ্যমে পাচার করা অর্থের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে বাজেয়াপ্ত প্রক্রিয়ায় ছিল। অবশেষে দীর্ঘ আইনি লড়াই ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে ওই অর্থ বাজেয়াপ্ত হলো।

শুল্কমুক্ত বিলাসবহুল ৩০ গাড়ি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়ার সিদ্ধান্ত

শ্রীলঙ্কায় পাঠানো প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ফেরত আসে। তবে বাকি ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপিন্সের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) মাকাতি সিটির জুপিটার শাখার কয়েকটি ভুয়া হিসাবে জমা হয়।

পরে এই অর্থ বিভিন্ন ক্যাসিনোর মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। ঘটনাটি ইতিহাসের অন্যতম বড় সাইবার ডাকাতি হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশ ব্যাংক এ ঘটনায় মামলা দায়ের করে এবং ফিলিপিন্সসহ বিভিন্ন দেশে তদন্ত শুরু হয়। ফিলিপিন্সের আদালতে আরসিবিসি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মায়া ডিগুইটো মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন।

সিআইডি জানিয়েছে, বাজেয়াপ্ত অর্থ দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেন। মামলাটি দায়ের করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫), তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬ এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায়। বর্তমানে মামলাটি সিআইডির তদন্তাধীন রয়েছে।