নিজ শহরের ঐতিহাসিক স্থানে হবে রোনালদোর বিয়ে
- আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
- / 62
দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও সঙ্গী জর্জিনা রদ্রিগেজকে বিয়ের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করে ফেলেছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। আগামী বছরের বিশ্বকাপের পর আনুষ্ঠানিকভাবে জর্জিনাকে নিজের অর্ধাঙ্গিনী হিসেবে গ্রহণ করে নেবেন পর্তুগিজ সুপারস্টার।
নিশ্চিতভাবেই বছরের সবচেয়ে আলোচিত আয়োজনগুলোর একটি হবে রোনালদোর বিয়ে। সেটি আরও বর্ণিল করে তোলার জন্য এরই মধ্যে বিয়ে ও বিয়ে পরবর্তী অভ্যর্থনার ভেন্যুও ঠিক করে ফেলেছে রোনালদো-জর্জিনা জুটি।
পর্তুগিজ দৈনিক জর্নাল দা মাদেইরার প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইউরোপের কোনো প্রাসাদ বা মধ্যপ্রাচ্যের বিলাসবহুল গন্তব্য নয়, বিয়ের জন্য নিজ জন্মস্থান পর্তুগালের মাদেইরা দ্বীপেই ফিরবেন রোনালদো। তার বিয়ের মূল অনুষ্ঠান হবে ফুঞ্চালের ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রালে।
১৫১৪ সালে নির্মিত এই গির্জা মাদেইরার সবচেয়ে প্রাচীন ও প্রতীকী ধর্মীয় স্থাপনা। স্থানীয় সিডার কাঠে নির্মিত এই স্থাপত্যকে দ্বীপের আধ্যাত্মিক হৃদয় বলা হয়। ওই গির্জা থেকে মাত্র দুই মাইল দূরের একটি হাসপাতালে জন্ম নিয়েছিলেন রোনালদো।
মাদেইরার সঙ্গে রোনালদোর সম্পর্ক সব সময়ই দৃঢ়। দ্বীপের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তার নামে, তার জাদুঘরও সেখানে। আর শৈশবে যে ক্লাব থেকে ফুটবল জীবন শুরু করেছিলেন, সেই নাসিওনাল দা মাদেইরাও গির্জা থেকে খুব কাছেই।
বিয়ের ধর্মীয় সকল অনুষ্ঠান শেষ করে অতিথিদের নিয়ে বিয়ে পরবর্তী অভ্যর্থনার উদযাপন হবে দ্বীপের একটি বিলাসবহুল হোটেলে। যেখানে উপস্থিত থাকবেন পর্তুগাল, স্পেন, ইতালি, সৌদি আরবসহ বিশ্বের নানা প্রান্তের তারকারা।
চেলসির বিপক্ষে হারের পর ‘নতুন চেহারায়’ দেখা যাবে বার্সাকে
শুধু তারকা ফুটবলারের বিয়ে নয়, রোনালদোর এই আয়োজন মাদেইরার জন্যও এক আবেগঘন মুহূর্ত। যে দ্বীপে তার স্বপ্নের শুরু, সেই দ্বীপই এখন দেখবে তার জীবনের আরেকটি বড় পদক্ষেপ। ইতিহাস, প্রতীক আর ভালোবাসার এক মেলবন্ধন- রোনালদোর বিয়ে নিঃসন্দেহে বিশ্বজুড়ে নজর কাড়বে।
২০১৬ সালে মাদ্রিদের একটি গুচি স্টোরে পরিচয় হয়েছিল রোনালদো ও জর্জিনার। এরপর রিয়াল মাদ্রিদ থেকে জুভেন্টাস, তারপর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড হয়ে সৌদি প্রো লিগের আল নাসর- অসংখ্য শহর ও অধ্যায় পেরিয়ে তাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।
এই জুটির রয়েছে দুই কন্যা সন্তান আলানা ও বেলা। সঙ্গে রোনালদোর আরও তিন সন্তান- ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়র, মাতেও ও ইভা মারিয়া। রোনালদোর ভাষায়, সন্তানরাই তাকে অবশেষে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহ দিয়েছে।
এদিকে জর্জিনাও এখন নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন। মডেল, উদ্যোক্তা ও ডিজিটাল আইকন হিসেবে তার প্রভাব বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে।



























হাম উপসর্গে আরও পাঁচজনের মৃত্যু