ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তরে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ,রাতের তাপমাত্রা কমবে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:০৪:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 99
119

উত্তরে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা দেখা যায়। বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে মানুষের দুর্ভোগও। হাড়কাঁপানো ঠান্ডা উপেক্ষা করে নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঠে-ঘাটে বের হতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। রাস্তাঘাট, বাড়ির সামনে কিংবা চা-স্টলের পাশে খড়কুটো জ্বালিয়ে অনেকে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। অনেকেই গায়ে অতিরিক্ত কাপড় জড়িয়েও কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শিশু, বয়স্ক ও রোগীদের ওপর এর প্রভাব বেশি পড়ছে। দরিদ্র পরিবারগুলো শীতবস্ত্রের সংকটে রয়েছে।

এদিকে পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা দিন দিন আরও বাড়ছে। টানা পাঁচ দিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরেই অবস্থান করার পর আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রিরও নিচে। ভোর ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। এতে এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে।

হাসপাতালগুলোতে দিন দিন শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কষ্ট বেড়েছে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত শীতল বাতাসে বাড়ছে কাঁপুনি। দিনের বেলায় সূর্যের আলো থাকলেও মিলছে না সেই কাঙ্ক্ষিত উষ্ণতা।

প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন ছাড়াল ৩ লাখ ৭ হাজার

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকায় শীতের উপস্থিতি আরও স্পষ্ট হচ্ছে। আজ সকাল ৬টায় রাজধানীর তাপমাত্রা নেমে আসে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সেইসঙ্গে ছিলো এলাকাভেদে কম-বেশি কুয়াশার উপস্থিতি। যা গত কয়েক দিনের তুলনায় বেশি শীতল অনুভূতি এনে দিয়েছে। তবে দিনের বাকি সময় আকাশ পরিষ্কার ও আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এ ছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা (১ থেকে ২) ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সকাল থেকে দিনের আবহাওয়া শুষ্ক এবং আকাশ পরিষ্কার থাকবে। এসময় উত্তর/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে হালকা বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। একইসাথে দিনের তাপমাত্রাও অপরিবর্তিত থাকবে।

পূর্বাভাসের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সন্ধ্যা ৫টা ১২ মিনিটে সূর্যাস্ত হবে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৩২ মিনিটে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।

এদিকে আগামীকাল শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এ ছাড়া সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এ ছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

৮ ডিগ্রিতে নেমেছে পঞ্চগড়ের
পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে কমছে দিনের তাপমাত্রা। বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহও। জেলায় টানা পাঁচ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির ঘরে অবস্থান করলেও এবার তা নেমে এসেছে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রিতে। যা মৌসুমের সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এই তাপমাত্রা রেকর্ড করে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৮ শতাংশ।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা মৃদু শৈত্যপ্রবাহের ঘরে নেমেছে। কারণ হিসেবে বলেন, তাপমাত্রার পারদ ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে থাকলে সেটিকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। ডিসেম্বরেই তাপমাত্রা আরও কমে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে বলে জানান তিনি।

তেঁতুলিয়ায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ
পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা দিন দিন আরও বাড়ছে। টানা পাঁচ দিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরেই অবস্থান করার পর আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রিরও নিচে। ভোর ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। এতে এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, টানা পাঁচ দিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে অবস্থান করার পর আজ তা আরও কমেছে। এলাকাজুড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। সামনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, শীতের এই দুর্যোগে জেলা প্রশাসনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। পঞ্চগড় জেলা প্রশাসন নিয়মিতভাবেই সেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ অর্থে ৮ হাজার ৬৪০টি কম্বল ক্রয় করে জেলার পাঁচটি উপজেলার ৪৩টি ইউনিয়নে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৬৫ হাজার কম্বলের চাহিদা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামে শীত ও ঠান্ডায় স্থবির
কুড়িগ্রামে কয়েকদিনে শীত ও ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) জেলায় সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস বলেন, জেলায় শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা এখনও তেমন বাড়েনি। এরপরও বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিদিন যে রোগীরা আসছেন তারা আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, শীতবস্ত্র বিতরণের তালিকা তৈরি হয়েছে। খুব দ্রুত জেলার শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ শুরু হবে।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় জেলায় সবনিম্ন তাপমাত্রা ১০দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। দিন দিন তাপমাত্রা কমে আসবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

উত্তরে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ,রাতের তাপমাত্রা কমবে

আপডেট সময় : ১২:০৪:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
119

উত্তরে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা দেখা যায়। বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে মানুষের দুর্ভোগও। হাড়কাঁপানো ঠান্ডা উপেক্ষা করে নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঠে-ঘাটে বের হতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। রাস্তাঘাট, বাড়ির সামনে কিংবা চা-স্টলের পাশে খড়কুটো জ্বালিয়ে অনেকে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। অনেকেই গায়ে অতিরিক্ত কাপড় জড়িয়েও কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শিশু, বয়স্ক ও রোগীদের ওপর এর প্রভাব বেশি পড়ছে। দরিদ্র পরিবারগুলো শীতবস্ত্রের সংকটে রয়েছে।

এদিকে পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা দিন দিন আরও বাড়ছে। টানা পাঁচ দিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরেই অবস্থান করার পর আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রিরও নিচে। ভোর ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। এতে এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে।

হাসপাতালগুলোতে দিন দিন শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কষ্ট বেড়েছে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত শীতল বাতাসে বাড়ছে কাঁপুনি। দিনের বেলায় সূর্যের আলো থাকলেও মিলছে না সেই কাঙ্ক্ষিত উষ্ণতা।

প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন ছাড়াল ৩ লাখ ৭ হাজার

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকায় শীতের উপস্থিতি আরও স্পষ্ট হচ্ছে। আজ সকাল ৬টায় রাজধানীর তাপমাত্রা নেমে আসে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সেইসঙ্গে ছিলো এলাকাভেদে কম-বেশি কুয়াশার উপস্থিতি। যা গত কয়েক দিনের তুলনায় বেশি শীতল অনুভূতি এনে দিয়েছে। তবে দিনের বাকি সময় আকাশ পরিষ্কার ও আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এ ছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা (১ থেকে ২) ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সকাল থেকে দিনের আবহাওয়া শুষ্ক এবং আকাশ পরিষ্কার থাকবে। এসময় উত্তর/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে হালকা বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। একইসাথে দিনের তাপমাত্রাও অপরিবর্তিত থাকবে।

পূর্বাভাসের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সন্ধ্যা ৫টা ১২ মিনিটে সূর্যাস্ত হবে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৩২ মিনিটে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।

এদিকে আগামীকাল শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এ ছাড়া সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ভোরের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এ ছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

৮ ডিগ্রিতে নেমেছে পঞ্চগড়ের
পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে কমছে দিনের তাপমাত্রা। বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহও। জেলায় টানা পাঁচ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির ঘরে অবস্থান করলেও এবার তা নেমে এসেছে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রিতে। যা মৌসুমের সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এই তাপমাত্রা রেকর্ড করে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৮ শতাংশ।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা মৃদু শৈত্যপ্রবাহের ঘরে নেমেছে। কারণ হিসেবে বলেন, তাপমাত্রার পারদ ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে থাকলে সেটিকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। ডিসেম্বরেই তাপমাত্রা আরও কমে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে বলে জানান তিনি।

তেঁতুলিয়ায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ
পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা দিন দিন আরও বাড়ছে। টানা পাঁচ দিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরেই অবস্থান করার পর আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রিরও নিচে। ভোর ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। এতে এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, টানা পাঁচ দিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে অবস্থান করার পর আজ তা আরও কমেছে। এলাকাজুড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। সামনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, শীতের এই দুর্যোগে জেলা প্রশাসনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। পঞ্চগড় জেলা প্রশাসন নিয়মিতভাবেই সেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ অর্থে ৮ হাজার ৬৪০টি কম্বল ক্রয় করে জেলার পাঁচটি উপজেলার ৪৩টি ইউনিয়নে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৬৫ হাজার কম্বলের চাহিদা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামে শীত ও ঠান্ডায় স্থবির
কুড়িগ্রামে কয়েকদিনে শীত ও ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) জেলায় সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস বলেন, জেলায় শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা এখনও তেমন বাড়েনি। এরপরও বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিদিন যে রোগীরা আসছেন তারা আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, শীতবস্ত্র বিতরণের তালিকা তৈরি হয়েছে। খুব দ্রুত জেলার শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ শুরু হবে।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় জেলায় সবনিম্ন তাপমাত্রা ১০দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। দিন দিন তাপমাত্রা কমে আসবে।