সৌদি থেকে বিদায় হও—রোনালদোকে নিয়ে কড়া সমালোচনা

- আপডেট সময় : ০৭:০২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 114
আল-নাসরের হয়ে টানা দুই ম্যাচে মাঠে নামেননি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পর্তুগিজ তারকা।
রোনালদোর অভিযোগ, দলবদলের বাজারে পিআইএফ আল-নাসরের তুলনায় প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব আল-হিলালসহ অন্য দলগুলোকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই অসন্তোষ থেকেই আল-রিয়াদের বিপক্ষে ডার্বি ম্যাচের আগে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেন তিনি। ম্যাচটির পর অনুশীলনে ফিরলেও লিগের শীর্ষস্থানীয় লড়াইয়ে আল-ইত্তিহাদের বিপক্ষেও তাঁকে দেখা যায়নি।
এই পরিস্থিতিতে রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। গুঞ্জন রয়েছে, আসন্ন গ্রীষ্মকালীন দলবদলেই আল-নাসর ছাড়তে পারেন ‘সিআর সেভেন’। এমনকি তাঁর জায়গায় সৌদি লিগে আলোড়ন তুলতে লিভারপুলের ‘মিসরীয় যুবরাজ’ মোহাম্মদ সালাহকে আনার কথাও শোনা যাচ্ছে—যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি আল-নাসর কর্তৃপক্ষ।
জয়ে ফিরল বায়ার্ন, লঁসকে টপকে শীর্ষে উঠল পিএসজি
এরই মধ্যে রোনালদোর অবস্থান ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। অসংখ্য পোস্টে বলা হচ্ছে, নিজের সীমা ও বাস্তবতা বোঝা উচিত তাঁর। সমালোচকদের একাংশের মতে, সৌদি প্রো লিগে না খেললে রোনালদোর পক্ষে হোয়াইট হাউস সফর কিংবা সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎও সম্ভব হতো না।
সৌদি ক্রীড়া বিশ্লেষক আল-ফারাজ আরও কঠোর ভাষায় মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আমরা তাঁকে ৫০০ বছর সময় দিলেও রোনালদো কখনো হোয়াইট হাউসে ঢুকতে পারতেন না। সৌদি প্রতিনিধিদলের অংশ না হলে তিনি দরজার কাছেও যেতে পারতেন না।”
আল-ফারাজের দাবি, বর্তমানে যাঁরা রোনালদোর বিপুল পারিশ্রমিক দিচ্ছেন, তাঁদের সমর্থন ছাড়া এসব সুযোগ কল্পনাও করা যেত না। জানা গেছে, আল-নাসরে খেলার সুবাদে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ লাখ পাউন্ড আয় করেন রোনালদো।
আল-নাসরের সাম্প্রতিক ‘ধর্মঘট’ ইস্যুর পর সৌদি প্রো লিগ এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। সেখানে বলা হয়, অতীতে যত বড় অর্জনই থাকুক না কেন, কোনো খেলোয়াড়ই খেলাটির চেয়ে বড় নন। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, খেলোয়াড় নিয়োগ ও দল গঠনের ক্ষেত্রে ক্লাবগুলো সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং সেই সিদ্ধান্তের দায়ভার তাদেরই।
রোনালদোর চুক্তিতে থাকা একটি রিলিজ ক্লজ আসন্ন গ্রীষ্মেই কার্যকর হতে পারে বলে জানা গেছে। ফলে সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাস তারকার ইউরোপে ফেরার সম্ভাবনা যেমন আলোচনায় আছে, তেমনি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির সঙ্গে এমএলএস কাপজয়ী ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জনও উড়িয়ে দিচ্ছেন না ফুটবল বিশ্লেষকেরা।

























