যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

- আপডেট সময় : ০৪:০২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
- / 61
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা নয়, রাজধানীর গুলশান অ্যাভেনিউয়ের ১৯৬ নম্বর নিজ বাসভবনেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গুলশানের নিজের ছোট বাসাটিতে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন জীবন শেষে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে ঢাকায় ফিরে সপরিবারে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে ওঠেন তারেক রহমান।
তখন থেকেই তিনি সেখানে বসবাস করছেন। এ বাড়িটির পাশেই ‘ফিরোজা’ নামের বাসভবনে থাকতেন তার মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। মূলত, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তৎকালীন বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভা ১৯৬ নম্বর বাড়িটি খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দিয়েছিল।
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ফ্লাইট বিপর্যয়; আজ বাতিল ২৬টি, মোট ৬১৪টি
গত বছর অন্তর্বর্তী সরকারের গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম রিজু আনুষ্ঠানিকভাবে এ বাড়ির দলিলপত্র বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে হস্তান্তর করেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, সংস্কার কাজ শেষে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাতেই উঠবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সে অনুযায়ী ভবনটিকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুতও করেছিল মন্ত্রণালয়।
এর আগে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস হেয়ার রোডের এ ভবনটিকে সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করেন। প্রায় দেড় বছর বসবাসের পর নির্বাচনের পর গত ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি যমুনা ছাড়েন।
প্রধানমন্ত্রী যমুনায় বসবাস না করলেও তার বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান এ ভবনেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, ইতিমধ্যে এ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর আয়োজনে কূটনীতিক ও আলেম-ওলামাদের সম্মানে দুটি ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া আসন্ন ঈদের দিন সকাল ১০টায় যমুনা থেকেই কূটনীতিক, শিক্ষাবিদসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান, ২০০১ সালের প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমান এবং ২০০৭ সালে সেনা-নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমেদও তাদের দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাতে বসবাস করেছিলেন।
























