ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে যুদ্ধ: ট্রাম্প

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
  • / 56

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ আগামী চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই প্রথমবারের মতো যুদ্ধের সম্ভাব্য সময়সীমা সম্পর্কে এমন একটি ধারণা দেওয়া হলো। তবে এই যুদ্ধে ইরানের মাটিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্থলবাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে খামেনির চ্যালেঞ্জ

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হোয়াইট হাউস কখনোই স্পষ্টভাবে জানায়নি যে এই সংঘাত ঠিক কতদিন চলবে, কতগুলো ভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এই লড়াই চলবে অথবা যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্তভাবে কী মানদণ্ডে নিজেদের বিজয় ঘোষণা করবে। তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটন থেকে ফ্লোরিডার বাসভবনে যাওয়ার পথে নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধের অগ্রগতি সম্পর্কে ইঙ্গিত দেন। তিনি জানান, ইরানের সামরিক শক্তিকে পঙ্গু করার পাশাপাশি দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে যথেষ্ট অগ্রগতি অর্জন করেছে।

ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে আশার আলো দেখা গেলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিতই রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভূখণ্ডে সরাসরি স্থলবাহিনী মোতায়েন করতে প্রস্তুত কি না অনেকেই এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার বার্তায় এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ধারণা না দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

৪ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে যুদ্ধ: ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১১:৪০:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ আগামী চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই প্রথমবারের মতো যুদ্ধের সম্ভাব্য সময়সীমা সম্পর্কে এমন একটি ধারণা দেওয়া হলো। তবে এই যুদ্ধে ইরানের মাটিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্থলবাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে খামেনির চ্যালেঞ্জ

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হোয়াইট হাউস কখনোই স্পষ্টভাবে জানায়নি যে এই সংঘাত ঠিক কতদিন চলবে, কতগুলো ভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এই লড়াই চলবে অথবা যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্তভাবে কী মানদণ্ডে নিজেদের বিজয় ঘোষণা করবে। তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটন থেকে ফ্লোরিডার বাসভবনে যাওয়ার পথে নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধের অগ্রগতি সম্পর্কে ইঙ্গিত দেন। তিনি জানান, ইরানের সামরিক শক্তিকে পঙ্গু করার পাশাপাশি দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে যথেষ্ট অগ্রগতি অর্জন করেছে।

ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে আশার আলো দেখা গেলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিতই রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভূখণ্ডে সরাসরি স্থলবাহিনী মোতায়েন করতে প্রস্তুত কি না অনেকেই এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার বার্তায় এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ধারণা না দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা