ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে ঢাবিতে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 71

নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল এলাকায় শুরু হয়েছে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার পর ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে এ শোভাযাত্রা বের হয়।

শোভাযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করছেন। শোভাযাত্রাটি শাহবাগ, মৎসভবন, দোয়েল চত্বর ও টিএসসি হয়ে পুনরায় চারুকলায় এসে শেষ হবে।

এর আগে ভোরে সূর্যোদয়ের পর রমনার বটমূলে ছায়ানটের আনুষ্ঠানিকতায় শুরু হয় বর্ষবরণ আয়োজন। সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে সম্মেলিত কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মাধ্যমে শুরু হয় এ আয়োজন। ছায়ানটের শিক্ষার্থী শিক্ষক ও বিশিষ্ট শিল্পীসহ মিলিয়ে প্রায় ২০০ শিল্পী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩–কে বরণ করে নেয়ার প্রভাতি এ অনুষ্ঠানের এবারের মূল ভাবনা ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য,উচ্চ যেথা শির’। অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন সাঁই, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অজয় ভট্টাচার্য, আবদুল লতিফ, জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের গান দিয়ে।

এছাড়া রাজধানীর ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহরে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয় গানে গানে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে ঢাবিতে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

আপডেট সময় : ০৬:১০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল এলাকায় শুরু হয়েছে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার পর ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে এ শোভাযাত্রা বের হয়।

শোভাযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করছেন। শোভাযাত্রাটি শাহবাগ, মৎসভবন, দোয়েল চত্বর ও টিএসসি হয়ে পুনরায় চারুকলায় এসে শেষ হবে।

এর আগে ভোরে সূর্যোদয়ের পর রমনার বটমূলে ছায়ানটের আনুষ্ঠানিকতায় শুরু হয় বর্ষবরণ আয়োজন। সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে সম্মেলিত কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মাধ্যমে শুরু হয় এ আয়োজন। ছায়ানটের শিক্ষার্থী শিক্ষক ও বিশিষ্ট শিল্পীসহ মিলিয়ে প্রায় ২০০ শিল্পী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩–কে বরণ করে নেয়ার প্রভাতি এ অনুষ্ঠানের এবারের মূল ভাবনা ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য,উচ্চ যেথা শির’। অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন সাঁই, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অজয় ভট্টাচার্য, আবদুল লতিফ, জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের গান দিয়ে।

এছাড়া রাজধানীর ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহরে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয় গানে গানে।