২৮ অক্টোবর নিয়ে মাঠ প্রশাসনকে সরকারের সতর্কবার্তা

- আপডেট সময় : ০১:৫২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৩
- / 210
আগামী ২৮ অক্টোবর বিএনপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসকসহ মাঠ কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠক পরবর্তী ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমাদের তরফ থেকে সেটা হল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন স্বাভাবিক থাকে, কোনো ধরনের জনজীবন যাতে ব্যাহত না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলেছি।’
জেলা প্রশাসকদেরও এ বিষয়ে বলা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
আগামী ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে বড় সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে একদফা দাবিতে আন্দোলনরত বিএনপি। একই দিন কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে থাকছে ক্ষমতাশীন দল আওয়ামী লীগও।
বিএনপি বলছে, ২৮ নভেম্বরের সমাবেশ থেকে সরকারের পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিএনপির কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ হলে এতে বাধা দেওয়া হবে না। অবশ্য ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা অভিযোগ করেছেন, ২৮ অক্টোবরের কর্মসূচির আড়ালে রাজধানী অবরোধের পরিকল্পনা করছে বিএনপি। অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিএনপি।
বর্তমান একাদশ সংসদের মেয়াদ প্রায় শেষ। এখন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। সাংবিধানিক বাধ্যবাধ্যকতা থাকায় নির্বাচন হতে হবে এ বছরের নভেম্বর থেকে আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে। এখনো নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক না হলেও কমিশন বলছে, আগামী নভেম্বরে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিএনপি ও তাদের জোট সঙ্গীদের আনতে আওয়ামী লীগের ওপর চাপ আছে। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক সমঝোতায় সংলাপ বা আলোচনার বিকল্প কোন পথ দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু নির্বাচন এগিয়ে এলেও এখনো নিজেদের অবস্থানে অনড় বড় দুই রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি ও আওয়ামী লীগ।
বিএনপি বলে আসছে, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে তারা অংশ নেবে না। এর অংশ হিসেবে গত কয়েক বছরে সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় যে নির্বাচনগুলো হয়েছে, সেগুলোতে কোনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি ও তাদের জোট সঙ্গীরা। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারা প্রার্থী হয়েছিলেন তাদের অনেককেই আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এখন সরকারের পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে রাজপথে নানা কর্মসুচি পালন করছেন দলটির নেতা–কর্মীরা।
আওয়ামী লীগও বলে আসছে, উচ্চ আদালতের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত হওয়ায় এটি আর ফিরিয়ে আনার সুযোগ নেই। আগামী নির্বাচন হবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদে রেখে, নির্বাচন কমিশনের অধীনে।
























