আম বয়ানে শুরু হলো ইজতেমার প্রথম পর্ব

- আপডেট সময় : ০৬:৪৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
- / 185
ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাজীপুরের টঙ্গীতে শুরু হওয়া ইজতেমায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তুরাগ নদীর তীরে মুসল্লির ঢল নেমেছে।
আজ শুক্রবার ফজর নামাজের পর পাকিস্তানের মাওলানা আহমদ বাটলার আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। আর মাওলানা আহমদ বাটলার বয়ান তাৎক্ষণিকভাবে বাংলায় তরজমা করছেন মাওলানা নুরুর রহমান।
মাওলানা আহমদ বাটলার বয়ানের পর সকাল ১০টায় তালিম করবেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক। তার তালিমের পরপরই দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজের প্রস্তুতি শুরু করা হবে। শুক্রবার জুমার নামাজ পড়াবেন মাওলানা জুবায়ের। জুমার নামাজের পর বয়ান করবেন জর্ডানের মাওলানা খতিব, আছরের নামাজের পর বাংলাদেশের হাফেজ মাওলানা জুবায়ের ও মাগরিবের পর ভারতের মাওলানা আহমদ লাট বয়ান করবেন।
মূল তাবুতে জায়গা না পেয়ে মুসল্লিদের অনেকেই অবস্থান নিয়েছেন সড়কে। যাতায়াত সুবিধায় বাস ও ট্রেনের বিশেষ ব্যবস্থা রেখেছে প্রশাসন। যানজট কমাতে ট্রাফিক পরিকল্পনা ঢেলে সাজানো হয়েছে।
১০৫টি খিত্তায় বিভক্ত ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিরা তাদের জন্য নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান নিয়ে জিকির আসকারে মশগুল। মুসল্লিদের সুযোগ-সুবিধায় পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। চিকিৎসার জন্য রয়েছে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প।
এদিকে, ইজতেমা ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাসহ নানা প্রস্ততি নিয়েছে পুলিশ ও প্রশাসন।
গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মাহবুব আলম বলেন, বিশ্ব ইজতেমা ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইজতেমায় গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের ছয় হাজার সদস্যের পাশাপাশি র্যাব, ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশ এবং পোশাকে ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা বাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
দুই পর্বের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। দ্বিতীয় পর্ব হবে ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি। এতে অংশ নেবেন মাওলানা সাদপন্থী তাবলিগ জামায়াতের মুসল্লিরা।
এবারের ইজতেমায় এ পর্যন্ত তিনজন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। গত বুধবার দুজন ও বৃহস্পতিবার একজন মুসল্লির মৃত্যু হয়। তারা হলেন—ইউনুছ মিয়া (৬০), জামান (৪০) ও আব্দুস সাত্তার (৭০)। এদের মধ্যে ইউনুছ মিয়ার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানায়, জামানের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এবং আব্দুস সাত্তারের বাড়ি নেত্রকোণা জেলায়। তিনজনই বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন বলে জানা গেছে।


























