ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন দক্ষিণ কোরিয়ায় উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, যা জানাল কর্তৃপক্ষ

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৩৭:০২ অপরাহ্ন, রোববার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / 127

দক্ষিণ কোরিয়ার জিওলা প্রদেশের মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৮১ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত হওয়া উড়োজাহাজটি ল্যান্ডিং গিয়ারের ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়,থাইল্যান্ড থেকে ফেরার সময় স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৯টার দিকে দুর্ঘটনায় পড়ে জেজু এয়ারের ২২১৬ ফ্লাইটটি। ল্যান্ডিং গিয়ারে পাখি ঢুকে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিধ্বস্ত হওয়ার পর উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, উড়োজাহাজটিতে থাকা দুজন বাদে সবাই নিহত হয়েছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল থেকে আল জাজিরার রব ম্যাকব্রাইড জানিয়েছেন, ফ্লাইটটি ব্যাংকক থেকে ফিরেই দুর্ঘটনায় পড়ে। ল্যান্ডিং গিয়ারে কিছু ত্রুটি ছিল বলে মনে হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট চোই সাং-মোক মুয়ান বিমানবন্দরে উদ্ধার অভিযানের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টার নির্দেশ দিয়েছেন।

ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উড়োজাহাজটিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে ১৭৩ জন দক্ষিণ কোরিয়ার এবং দুইজন থাই নাগরিক ছিলেন। বিধ্বস্তের কারণ এখনও জানা যায়নি।

দক্ষিণ কোরিয়ার দমকল বাহিনী বিবৃতিতে বলেছে, ৮০ দমকলকর্মী এবং ৩০টিরও বেশি দমকল ট্রাক দুর্ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কেন দক্ষিণ কোরিয়ায় উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, যা জানাল কর্তৃপক্ষ

আপডেট সময় : ০১:৩৭:০২ অপরাহ্ন, রোববার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪

দক্ষিণ কোরিয়ার জিওলা প্রদেশের মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৮১ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত হওয়া উড়োজাহাজটি ল্যান্ডিং গিয়ারের ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়,থাইল্যান্ড থেকে ফেরার সময় স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৯টার দিকে দুর্ঘটনায় পড়ে জেজু এয়ারের ২২১৬ ফ্লাইটটি। ল্যান্ডিং গিয়ারে পাখি ঢুকে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিধ্বস্ত হওয়ার পর উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, উড়োজাহাজটিতে থাকা দুজন বাদে সবাই নিহত হয়েছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল থেকে আল জাজিরার রব ম্যাকব্রাইড জানিয়েছেন, ফ্লাইটটি ব্যাংকক থেকে ফিরেই দুর্ঘটনায় পড়ে। ল্যান্ডিং গিয়ারে কিছু ত্রুটি ছিল বলে মনে হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট চোই সাং-মোক মুয়ান বিমানবন্দরে উদ্ধার অভিযানের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টার নির্দেশ দিয়েছেন।

ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উড়োজাহাজটিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে ১৭৩ জন দক্ষিণ কোরিয়ার এবং দুইজন থাই নাগরিক ছিলেন। বিধ্বস্তের কারণ এখনও জানা যায়নি।

দক্ষিণ কোরিয়ার দমকল বাহিনী বিবৃতিতে বলেছে, ৮০ দমকলকর্মী এবং ৩০টিরও বেশি দমকল ট্রাক দুর্ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।