ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত: বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / 100

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে আজ সোমবার আবারও বেড়েছে তেলের দাম। দিনের লেনদেনের শুরুতে এশিয়ার বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান বলছে, এশিয়ার প্রাথমিক ট্রেডিংয়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দুই ডলার বা প্রায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়িয়ে প্রতি ব্যারেল বিক্রি হচ্ছে ৭৬ দশমিক তিন সাত ডলারে। বাংলাদেশি টাকায় এক ব্যারেলের মূল্য ৯ হাজার ১৪৪ টাকা।

এদিকে, ইউএস ক্রুড ব্যারেল প্রতি দু্ই ডলার বেড়ে ৭৫ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। এর আগে শুক্রবারে ১৪ শতাংশ বেড়েছিল জ্বালানি তেলের দাম। পরে তা ৭ শতাংশে স্থির হয়। শুক্রবারের ৭% দাম বৃদ্ধির পর নতুন এই মূল্য নির্ধারিত হলো। ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাতে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশংকা করছেন ব্যবসায়ীরা।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা থেকেই এভাবে তেলের দাম বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হয়, এর ৩ শতাংশই আসে ইরান থেকে। আর ২০ শতাংশ তেল ও এলএনজি সরবরাহ করা হয় এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত: বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে আজ সোমবার আবারও বেড়েছে তেলের দাম। দিনের লেনদেনের শুরুতে এশিয়ার বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান বলছে, এশিয়ার প্রাথমিক ট্রেডিংয়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দুই ডলার বা প্রায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়িয়ে প্রতি ব্যারেল বিক্রি হচ্ছে ৭৬ দশমিক তিন সাত ডলারে। বাংলাদেশি টাকায় এক ব্যারেলের মূল্য ৯ হাজার ১৪৪ টাকা।

এদিকে, ইউএস ক্রুড ব্যারেল প্রতি দু্ই ডলার বেড়ে ৭৫ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। এর আগে শুক্রবারে ১৪ শতাংশ বেড়েছিল জ্বালানি তেলের দাম। পরে তা ৭ শতাংশে স্থির হয়। শুক্রবারের ৭% দাম বৃদ্ধির পর নতুন এই মূল্য নির্ধারিত হলো। ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাতে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশংকা করছেন ব্যবসায়ীরা।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা থেকেই এভাবে তেলের দাম বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হয়, এর ৩ শতাংশই আসে ইরান থেকে। আর ২০ শতাংশ তেল ও এলএনজি সরবরাহ করা হয় এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে।