ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলের গাজা দখল পরিকল্পনায় গুরুত্ব দিতে অস্বীকৃতি ট্রাম্পের

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 63

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের পুনর্দখলে সমর্থন দেবে কিনা সে বিষয়ে অবস্থান নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

“বাকিটা আমি আসলে বলতে পারব না। পুরো গাজা পুনর্দখলে ইসরায়েলকে সমর্থন করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, “এটি অনেকটা ইসরায়েলের উপর নির্ভর করবে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে গাজায় পূর্ণ মাত্রায় পুনর্দখলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র এখন সেখানে লোকজনকে খাওয়ানোর চেষ্টা করছে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, গাজার জনগণের জন্য খাদ্য সরবরাহের জন্য দেশটি ৬০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে।

“আমি জানি ইসরায়েল বিতরণের ক্ষেত্রে আমাদের সহায়তা করবে … আমাদের আরব রাষ্ট্রগুলোও আছে (যারা আমাদের এ ব্যাপারে সাহায্য করবে, অর্থ ও সম্ভাব্য বণ্টনের দিক থেকে। তাই আমি সেদিকেই মনোনিবেশ করছি।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে পরোক্ষ যুদ্ধবিরতি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর গাজার ‘বিকল্প’ নিয়ে আলোচনার জন্য নেতানিয়াহু মঙ্গলবার রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের একটি বৈঠক আহ্বান করবেন।

যুদ্ধবিরতির আন্তর্জাতিক আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নৃশংস অভিযান চালিয়ে ৬১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, যাদের প্রায় অর্ধেকই নারী ও শিশু।

ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ছিটমহলটিকে ধ্বংস করে দিয়েছে এবং দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে।

গত নভেম্বরে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে নেতানিয়াহু ও তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।

ছিটমহলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলাও রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরায়েলের গাজা দখল পরিকল্পনায় গুরুত্ব দিতে অস্বীকৃতি ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ০১:১৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের পুনর্দখলে সমর্থন দেবে কিনা সে বিষয়ে অবস্থান নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

“বাকিটা আমি আসলে বলতে পারব না। পুরো গাজা পুনর্দখলে ইসরায়েলকে সমর্থন করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, “এটি অনেকটা ইসরায়েলের উপর নির্ভর করবে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে গাজায় পূর্ণ মাত্রায় পুনর্দখলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র এখন সেখানে লোকজনকে খাওয়ানোর চেষ্টা করছে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, গাজার জনগণের জন্য খাদ্য সরবরাহের জন্য দেশটি ৬০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে।

“আমি জানি ইসরায়েল বিতরণের ক্ষেত্রে আমাদের সহায়তা করবে … আমাদের আরব রাষ্ট্রগুলোও আছে (যারা আমাদের এ ব্যাপারে সাহায্য করবে, অর্থ ও সম্ভাব্য বণ্টনের দিক থেকে। তাই আমি সেদিকেই মনোনিবেশ করছি।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে পরোক্ষ যুদ্ধবিরতি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর গাজার ‘বিকল্প’ নিয়ে আলোচনার জন্য নেতানিয়াহু মঙ্গলবার রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের একটি বৈঠক আহ্বান করবেন।

যুদ্ধবিরতির আন্তর্জাতিক আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নৃশংস অভিযান চালিয়ে ৬১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, যাদের প্রায় অর্ধেকই নারী ও শিশু।

ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ছিটমহলটিকে ধ্বংস করে দিয়েছে এবং দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে।

গত নভেম্বরে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে নেতানিয়াহু ও তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।

ছিটমহলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলাও রয়েছে।