ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দূষণের কারণে দেশে ইলিশ আহরণ ৪৮ শতাংশ কমছে: মৎস্য উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 43

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আকতার জানিয়েছেন, দেশে ইলিশ আহরণের পরিমাণ প্রায় ৪৮ শতাংশ কমে গেছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি দূষণকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘পর্যাপ্ত ইলিশ পেতে হলে দূষণের বিরুদ্ধে সবাইকে জোরেশোরে কাজ করতে হবে।’

আজ (শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ৩য় ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফরিদা আকতার এসব মন্তব্য করেন।

সবজির দাম বাড়তি, বাজার মনিটরিংয়ের উদ্যোগ নেই

তিনি বলেন, ‘মৎস্য সম্পদ রক্ষার জন্য হাওর গবেষণা ইনস্টিটিউট তৈরি করা প্রয়োজন এবং এর জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে।’ এছাড়াও তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘প্লাস্টিক বর্জ্যসহ সব ধরনের দূষণ বন্ধ না হলে দেশের প্রাণিজ চাহিদা মেটানো ভবিষ্যতে হুমকির মুখে পড়বে।’

উল্লেখ্য, সম্মেলনে ১১টি সেশনে প্রায় আড়াই শতাধিক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। এতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষক ও বৈজ্ঞানিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

দূষণের কারণে দেশে ইলিশ আহরণ ৪৮ শতাংশ কমছে: মৎস্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আকতার জানিয়েছেন, দেশে ইলিশ আহরণের পরিমাণ প্রায় ৪৮ শতাংশ কমে গেছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি দূষণকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘পর্যাপ্ত ইলিশ পেতে হলে দূষণের বিরুদ্ধে সবাইকে জোরেশোরে কাজ করতে হবে।’

আজ (শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ৩য় ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফরিদা আকতার এসব মন্তব্য করেন।

সবজির দাম বাড়তি, বাজার মনিটরিংয়ের উদ্যোগ নেই

তিনি বলেন, ‘মৎস্য সম্পদ রক্ষার জন্য হাওর গবেষণা ইনস্টিটিউট তৈরি করা প্রয়োজন এবং এর জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে।’ এছাড়াও তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘প্লাস্টিক বর্জ্যসহ সব ধরনের দূষণ বন্ধ না হলে দেশের প্রাণিজ চাহিদা মেটানো ভবিষ্যতে হুমকির মুখে পড়বে।’

উল্লেখ্য, সম্মেলনে ১১টি সেশনে প্রায় আড়াই শতাধিক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। এতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষক ও বৈজ্ঞানিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।