ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 60

ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে রাজশাহীতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হচ্ছে। দিনটি উপলক্ষে আজ (শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই বিভিন্ন মসজিদ ও সংগঠনের উদ্যোগে মহানগরীতে জশনে জুলুস বের করা হয়। বিপুল সংখ্যক মুসল্লি এতে অংশ নেন।

বখশিয়া খানকাহ শরিফের উদ্যোগে সবচেয়ে বড় জশনে জুলুসটি মহানগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে নেতৃত্ব দেন বখশিয়া খানকাহ শরিফের মোতোয়ালি ড. শাহ ওয়াকার আহমেদ। বর্ণাঢ্য এ জশনে জুলুসে কয়েক হাজার মুসলিম অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তাদের মুখে কালেমা আর নবীজীর প্রতি ভালোবাসার হামদ-নাত, আর হাতে হাতে কালেমা খচিত নানা রঙের পতাকা ছিল।

এদিকে মহানগরে দিনভর আয়োজন করা হয়েছে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল, হামদ ও নাথ প্রতিযোগিতা। এসব অনুষ্ঠানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মহানবীর (সা.) জীবনাদর্শের সঠিক অনুসরণ-অনুশীলনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয় বলেও জানিয়েছেন আয়োজকেরা।

আরও পড়ুন: ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাজধানীতে জশনে জুলুস

এসময় আয়োজকেরা বলেন, ‘আজকের দিনে নবী করিম (সা.) পৃথিবীতে এসেছিলেন। তিনি শেষ জামানার শেষ নবী। আমরা উনার শেষ উম্মত। আল্লাহর নির্দেশ তোমরা উত্তম কোনো নেয়ামত পাইলে তার শুকরিয়া জ্ঞাপন করো। নবীকে পেয়েছি আমরা এটা আমাদের বড় নেয়ামত, এজন্য হুজুরের আগমন উপলক্ষে আমরা খুশি জ্ঞাপন করছি এবং তার জন্মদিন উপলক্ষে জশনে জুলুস উদযাপন করছি। মুসলমান হিসেবে সবচেয়ে বড় খুশির দিন। মহানবীর জীবন আদর্শকে অনুসরণ করার কথাও বলেন তারা।’

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আজ মহানগরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপসমূহে কালেমা তৈয়ব খচিত পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। দুপুরে জেলখানা, হাসপাতালসহ বিভিন্ন এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। সন্ধ্যায় বিভিন্ন মসজিদ ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনসমূহে আলোকসজ্জা ও পরে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে রাজশাহীতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হচ্ছে। দিনটি উপলক্ষে আজ (শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই বিভিন্ন মসজিদ ও সংগঠনের উদ্যোগে মহানগরীতে জশনে জুলুস বের করা হয়। বিপুল সংখ্যক মুসল্লি এতে অংশ নেন।

বখশিয়া খানকাহ শরিফের উদ্যোগে সবচেয়ে বড় জশনে জুলুসটি মহানগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে নেতৃত্ব দেন বখশিয়া খানকাহ শরিফের মোতোয়ালি ড. শাহ ওয়াকার আহমেদ। বর্ণাঢ্য এ জশনে জুলুসে কয়েক হাজার মুসলিম অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তাদের মুখে কালেমা আর নবীজীর প্রতি ভালোবাসার হামদ-নাত, আর হাতে হাতে কালেমা খচিত নানা রঙের পতাকা ছিল।

এদিকে মহানগরে দিনভর আয়োজন করা হয়েছে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল, হামদ ও নাথ প্রতিযোগিতা। এসব অনুষ্ঠানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মহানবীর (সা.) জীবনাদর্শের সঠিক অনুসরণ-অনুশীলনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয় বলেও জানিয়েছেন আয়োজকেরা।

আরও পড়ুন: ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাজধানীতে জশনে জুলুস

এসময় আয়োজকেরা বলেন, ‘আজকের দিনে নবী করিম (সা.) পৃথিবীতে এসেছিলেন। তিনি শেষ জামানার শেষ নবী। আমরা উনার শেষ উম্মত। আল্লাহর নির্দেশ তোমরা উত্তম কোনো নেয়ামত পাইলে তার শুকরিয়া জ্ঞাপন করো। নবীকে পেয়েছি আমরা এটা আমাদের বড় নেয়ামত, এজন্য হুজুরের আগমন উপলক্ষে আমরা খুশি জ্ঞাপন করছি এবং তার জন্মদিন উপলক্ষে জশনে জুলুস উদযাপন করছি। মুসলমান হিসেবে সবচেয়ে বড় খুশির দিন। মহানবীর জীবন আদর্শকে অনুসরণ করার কথাও বলেন তারা।’

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আজ মহানগরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপসমূহে কালেমা তৈয়ব খচিত পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। দুপুরে জেলখানা, হাসপাতালসহ বিভিন্ন এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। সন্ধ্যায় বিভিন্ন মসজিদ ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনসমূহে আলোকসজ্জা ও পরে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা।