অক্টোবর থেকে প্রাথমিকে ‘মিড ডে মিল’ চালু হবে: গণশিক্ষা উপদেষ্টা

- আপডেট সময় : ০১:৫৪:৪৮ অপরাহ্ন, রোববার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 307
দেশের ১৫০টি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আগামী অক্টোবর মাস থেকে ‘মিড ডে মিল’ চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আজ (রোববার, ৭ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।
গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশে সাক্ষরতার হার বর্তমানে ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ। বাকি ২২ দশমিক ১ শতাংশ জনগোষ্ঠী নিরক্ষর। তবে, সত্যিকার অর্থে সাক্ষরতার হার আরও কম হতে পারে। আগের সরকার প্রকৃত সাক্ষরতার হার চেপে রেখেছে।’
তিনি বলেন, ‘স্কুলে স্কুলে ভিজিট করে দেখা গেছে, প্রকৃত স্বাক্ষর নয় অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে। যেসব শিক্ষার্থী পিছিয়ে রয়েছে, তাদের বিশেষ ব্যবস্থায় সাক্ষর করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান বিধান রঞ্জন।’
আরও পড়ুন: দেশে দারিদ্র্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ শতাংশে
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষার বর্তমান লক্ষ্যই হলো শিশুকে সাক্ষর করে তোলা। প্রকৃত সাক্ষর না হয়ে শিক্ষার্থীরা হাইস্কুলে যাওয়ায়, তাদের শিক্ষার মাঝে একটি বড় গ্যাপ থেকে যাচ্ছে।’
চলতি বছরের জানুয়ারির মধ্যে দেশের ১৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ডিপিপি তৈরি করলাম, সেটি আগের বিবিএসের রিপোর্ট অনুযায়ী তৈরি হলো। এরপর প্রক্রিয়া মেনে আমরা এটি একনেকে উপস্থাপন করলাম, তখন বিবিএসের নতুন পরিসংখ্যান বের হলো। তখন আমাদের বলা হলো আপনারা এই (নতুন পরিসংখ্যান) অনুযায়ী করেন। একটা জেলার মধ্যে কোন অঞ্চলগুলো বেশি দরিদ্র সেটি তো পরিবর্তন হয়েছে। নতুন করে আবার এটিকে ঠিক করে পাস করাতে হল। এজন্য কিছুটা বিলম্ব হলো।’
ডা. বিধান রঞ্জন রায় বলেন, মিড ডে মিলের কাজ এগোচ্ছে। ১৫০টি উপজেলায় শিগগির চালু হয়ে যাচ্ছে। আমরা আশা করি সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে দেশের ১৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় মিড ডে মিল চালু করতে পারবো। এর মধ্যে ডিম, মৌসুমি ফল, বিস্কুট, দুধসহ পাঁচ ধরনের খাবার থাকবে বলে জানান তিনি।
স্কুলে ছুটি কমিয়ে আনার বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘স্কুলগুলো বছরে মাত্র ১৮০ দিন খোলা থাকে। তাই অপ্রয়োজনীয় ছুটিগুলো কমিয়ে আনার চেষ্টা করছে সরকার।’
দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের চেষ্টা চলছে বলেও জানান বিধান রঞ্জন।























