ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একের পর এক স্বীকৃতি, উৎসব উদযাপন ফিলিস্তিনিদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:০২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 34

পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়ায় মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) অধিকৃত পশ্চিম তীরে ব্যাপক জনসমাবেশ ও উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের পোস্টার হাতে এবং ফিলিস্তিনি পতাকা উড়িয়ে হাজার হাজার মানুষ এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত উদযাপন করেন।

রামাল্লার কেন্দ্রীয় চত্বরে দেশাত্মবোধক স্লোগান এবং “গণহত্যা বন্ধ করো” লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে মানুষ জড়ো হয়েছিল। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের শীর্ষ নেতা এবং আব্বাসের রাজনৈতিক দল ফাতাহর সদস্যরাও এই উদযাপনে অংশ নেন।

ফাতাহর কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব জিবরিল রজুব এই স্বীকৃতিকে “শত বছরেরও বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিরোধ ও দৃঢ় সংকল্পের ফল” বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এটি একটি প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ, যা ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গাজায় ইসরাইলের পদক্ষেপ একেবারেই অগ্রহণযোগ্য: পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

ফাতাহ সদস্য মাইসুন মাহমুদ বলেন, “আমরা আজ এখানে এসেছি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানাতে এবং একই সাথে যুদ্ধ বন্ধে আমাদের সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাতে। এখন বিশ্বের দায়িত্ব নেওয়ার সময় এসেছে।”

ফ্রান্স, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও পর্তুগালসহ ইউরোপের বেশিরভাগ পশ্চিমা দেশ সম্প্রতি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রায় দুই বছরের গাজা যুদ্ধ এবং পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই স্বীকৃতি আসে।

নিউজটি শেয়ার করুন

একের পর এক স্বীকৃতি, উৎসব উদযাপন ফিলিস্তিনিদের

আপডেট সময় : ১১:০২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়ায় মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) অধিকৃত পশ্চিম তীরে ব্যাপক জনসমাবেশ ও উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের পোস্টার হাতে এবং ফিলিস্তিনি পতাকা উড়িয়ে হাজার হাজার মানুষ এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত উদযাপন করেন।

রামাল্লার কেন্দ্রীয় চত্বরে দেশাত্মবোধক স্লোগান এবং “গণহত্যা বন্ধ করো” লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে মানুষ জড়ো হয়েছিল। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের শীর্ষ নেতা এবং আব্বাসের রাজনৈতিক দল ফাতাহর সদস্যরাও এই উদযাপনে অংশ নেন।

ফাতাহর কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব জিবরিল রজুব এই স্বীকৃতিকে “শত বছরেরও বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিরোধ ও দৃঢ় সংকল্পের ফল” বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এটি একটি প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ, যা ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গাজায় ইসরাইলের পদক্ষেপ একেবারেই অগ্রহণযোগ্য: পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

ফাতাহ সদস্য মাইসুন মাহমুদ বলেন, “আমরা আজ এখানে এসেছি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানাতে এবং একই সাথে যুদ্ধ বন্ধে আমাদের সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাতে। এখন বিশ্বের দায়িত্ব নেওয়ার সময় এসেছে।”

ফ্রান্স, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও পর্তুগালসহ ইউরোপের বেশিরভাগ পশ্চিমা দেশ সম্প্রতি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রায় দুই বছরের গাজা যুদ্ধ এবং পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই স্বীকৃতি আসে।