ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেলেন ৩ মার্কিন বিজ্ঞানী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / 65

চলতি বছর পদার্থবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন মার্কিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন জন ক্লার্ক, মিচেল এইচ ডেভোরেট এবং জন এম মার্টিনিস। আজ (মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর) রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।

নোবেল বিজয়ীরা পাবেন নগদ অর্থও পাবেন। এর পরিমাণ ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার যা ৯৯৭,০০০ ইউরোরও বেশি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর অর্থমূল্য প্রায় ১৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। যেসব বিভাগে একাধিক নোবেলজয়ী থাকবেন, তাদের মধ্যে এই অর্থ সমান ভাগে ভাগ করে দেয়া হবে।

জানা যায়, বৈদ্যুতিক বর্তনীর মধ্যে‌ স্থূল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং ‌শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন ক্লার্ক, মিচেল এইচ ডেভোরেট এবং জন এম মার্টিনিসকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস জানায়, এ আবিষ্কার কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। আর এর পুরস্কার স্বরূপ তাদের নোবেলে ভূষিত করা হয়েছে।

চিকিৎসাবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী

কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অদ্ভুত এবং সাধারণত ক্ষুদ্রাতীত কণার আচরণগুলো কীভাবে আমাদের পরিচিত বড় আকারের মানব-সৃষ্ট বস্তু বা অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে সেটি এ বছরের পদার্থে নোবেল পুরস্কারের বিষয় ছিল।

পুরস্কারপ্রাপ্ত এ তিন বিজ্ঞানী তাদের ধারাবাহিক পরীক্ষার মাধ্যমে দেখিয়েছেন, যে এ ঘটনা সম্ভব। তারা এমন একটি অতিপরিবাহী বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা তৈরি করেন, যা একটি অবস্থা থেকে সরাসরি অন্য অবস্থায় ‘টানেল’ করে যেতে পারে।

তারা আরও দেখিয়েছেন যে এ ব্যবস্থাটি নির্দিষ্ট মাত্রার বা সুনির্দিষ্ট ‘ডোজ’-এ শক্তি শোষণ করে এবং বিকিরণ করে। যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ভবিষ্যদ্বাণীর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।

এর আগে সোমবার চিকিৎসাশাস্ত্রে বিজয়ীদের নাম ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় নোবেল পুরস্কার ২০২৫-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা। এ বছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে যুগান্তকারী অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মেরি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড র‍্যামসডেল এবং শিমন সাকাগুচি যৌথভাবে পেয়েছেন নোবেল পুরস্কার।

১৯০১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পদার্থবিদ্যায় ১১৮ বার নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছে, বিজয়ী হয়েছেন পাঁচজন নারীসহ ২২৭ জন। গত বছরের পদার্থবিদ্যার পুরস্কারটি পদার্থবিজ্ঞানী জন হপফিল্ড এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানী জিওফ্রে হিন্টনকে দেয়া হয়। হিন্টনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অন্যতম গডফাদার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সূত্র: ইউরো নিউজ

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেলেন ৩ মার্কিন বিজ্ঞানী

আপডেট সময় : ০৬:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

চলতি বছর পদার্থবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন মার্কিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন জন ক্লার্ক, মিচেল এইচ ডেভোরেট এবং জন এম মার্টিনিস। আজ (মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর) রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।

নোবেল বিজয়ীরা পাবেন নগদ অর্থও পাবেন। এর পরিমাণ ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার যা ৯৯৭,০০০ ইউরোরও বেশি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর অর্থমূল্য প্রায় ১৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। যেসব বিভাগে একাধিক নোবেলজয়ী থাকবেন, তাদের মধ্যে এই অর্থ সমান ভাগে ভাগ করে দেয়া হবে।

জানা যায়, বৈদ্যুতিক বর্তনীর মধ্যে‌ স্থূল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং ‌শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন ক্লার্ক, মিচেল এইচ ডেভোরেট এবং জন এম মার্টিনিসকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস জানায়, এ আবিষ্কার কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। আর এর পুরস্কার স্বরূপ তাদের নোবেলে ভূষিত করা হয়েছে।

চিকিৎসাবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী

কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অদ্ভুত এবং সাধারণত ক্ষুদ্রাতীত কণার আচরণগুলো কীভাবে আমাদের পরিচিত বড় আকারের মানব-সৃষ্ট বস্তু বা অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে সেটি এ বছরের পদার্থে নোবেল পুরস্কারের বিষয় ছিল।

পুরস্কারপ্রাপ্ত এ তিন বিজ্ঞানী তাদের ধারাবাহিক পরীক্ষার মাধ্যমে দেখিয়েছেন, যে এ ঘটনা সম্ভব। তারা এমন একটি অতিপরিবাহী বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা তৈরি করেন, যা একটি অবস্থা থেকে সরাসরি অন্য অবস্থায় ‘টানেল’ করে যেতে পারে।

তারা আরও দেখিয়েছেন যে এ ব্যবস্থাটি নির্দিষ্ট মাত্রার বা সুনির্দিষ্ট ‘ডোজ’-এ শক্তি শোষণ করে এবং বিকিরণ করে। যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ভবিষ্যদ্বাণীর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।

এর আগে সোমবার চিকিৎসাশাস্ত্রে বিজয়ীদের নাম ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় নোবেল পুরস্কার ২০২৫-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা। এ বছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে যুগান্তকারী অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মেরি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড র‍্যামসডেল এবং শিমন সাকাগুচি যৌথভাবে পেয়েছেন নোবেল পুরস্কার।

১৯০১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পদার্থবিদ্যায় ১১৮ বার নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছে, বিজয়ী হয়েছেন পাঁচজন নারীসহ ২২৭ জন। গত বছরের পদার্থবিদ্যার পুরস্কারটি পদার্থবিজ্ঞানী জন হপফিল্ড এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানী জিওফ্রে হিন্টনকে দেয়া হয়। হিন্টনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অন্যতম গডফাদার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সূত্র: ইউরো নিউজ