ঢাকা ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোটের মাঠে ৮ দিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী রাখার প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 73

নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) এবার ভোটের আগে ও পরে মোট আট দিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব দিয়েছে বিভিন্ন বাহিনী।

সোমবার (২০ অক্টোবর) নির্বাচন ঘিরে প্রাক-প্রস্তুতিমূলক আইন-শৃঙ্খলা বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র সচিব, ইসি সচিবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ রয়েছে, কোনো শঙ্কা প্রকাশ করেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানরা কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। নিরাপত্তা পরিকল্পনার অনেক কিছু নির্বাচনে বাজেটের উপর নির্ভর করবে। বাজেট বরাদ্দের বিষয়টি পরে সিদ্ধান্ত হবে। বৈঠক থেকে কোনো ধরনের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।

বিএনপি ক্ষমতায় এলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত হয়েছে: এ্যানি

সচিব জানান, নির্বাচনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার রোধ, ড্রোন ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং পুলিশের জন্য বডিওর্ন ক্যামেরা থাকবে।

ইসি সচিব বলেন, ‘অবশ্যই নির্বাচন করার পরিবেশ আছে। সেনা ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ, পুলিশ দেড় লাখ দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া ভোটে সাড়ে ৫ লাখ আনসার দায়িত্ব পালন করবে।’

ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী রোজার আগে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সর্বশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও আট দিনের জন্য মাঠে নেমেছিল সশস্ত্র বাহিনী। তবে যাতায়াতের জন্য আরো পাঁচ দিন সময় নিয়েছিল। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ১০ দিন মাঠে ছিল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোটের মাঠে ৮ দিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী রাখার প্রস্তাব

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) এবার ভোটের আগে ও পরে মোট আট দিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব দিয়েছে বিভিন্ন বাহিনী।

সোমবার (২০ অক্টোবর) নির্বাচন ঘিরে প্রাক-প্রস্তুতিমূলক আইন-শৃঙ্খলা বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র সচিব, ইসি সচিবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ রয়েছে, কোনো শঙ্কা প্রকাশ করেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানরা কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। নিরাপত্তা পরিকল্পনার অনেক কিছু নির্বাচনে বাজেটের উপর নির্ভর করবে। বাজেট বরাদ্দের বিষয়টি পরে সিদ্ধান্ত হবে। বৈঠক থেকে কোনো ধরনের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।

বিএনপি ক্ষমতায় এলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত হয়েছে: এ্যানি

সচিব জানান, নির্বাচনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার রোধ, ড্রোন ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং পুলিশের জন্য বডিওর্ন ক্যামেরা থাকবে।

ইসি সচিব বলেন, ‘অবশ্যই নির্বাচন করার পরিবেশ আছে। সেনা ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ, পুলিশ দেড় লাখ দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া ভোটে সাড়ে ৫ লাখ আনসার দায়িত্ব পালন করবে।’

ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী রোজার আগে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সর্বশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও আট দিনের জন্য মাঠে নেমেছিল সশস্ত্র বাহিনী। তবে যাতায়াতের জন্য আরো পাঁচ দিন সময় নিয়েছিল। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ১০ দিন মাঠে ছিল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।