তুরস্কের সঙ্গে যৌথভাবে জলবায়ু সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার
- আপডেট সময় : ০১:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
- / 46
আগামী বছরের জাতিসংঘ জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন (কপ৩১) যৌথভাবে আয়োজনের জন্য তুরস্কের দেওয়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটি এককভাবে তাদের অ্যাডিলেড শহরে সম্মেলনটি আয়োজনের জোর চেষ্টা চালাচ্ছে। সিডনি থেকে এএফপি এ খবর জানায়।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ সোমবার বলেন, ‘না, আমরা যৌথভাবে আয়োজন করব না।’ তিনি যুক্তি দেন, জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (ইউএনএফসিসিসি)’র নিয়ম অনুযায়ী যৌথ আয়োজনের কোনো বিধান নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘এটা কোনো বিকল্প নয়। সবাই জানে এটা বিকল্প নয়। তাই বিষয়টি বাতিল করা হয়েছে।’
অস্ট্রেলিয়া ও তুরস্ক দু’দেশই আগামী কপ৩১ আয়োজনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। কেউই পিছু হটছে না। রোববার এক তুর্কি কূটনৈতিক সূত্র এএফপিকে জানায়, দেশটি এখনো ‘যৌথ সভাপতিত্বের মডেল’ সমর্থন করছে।
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন শতাব্দীর গতিপথ নির্ধারণ করবে: প্রধান উপদেষ্টা
জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, আয়োজক দেশকে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হতে হবে। তাই অস্ট্রেলিয়া বা তুরস্ক যদি প্রার্থীতা প্রত্যাহার না করে, কিংবা দায়িত্ব ভাগাভাগিতে রাজি না হয়, তবে দু’দেশই সুযোগ হারাবে।
তবে, এমনটি হলে তা হবে নজিরবিহীন ঘটনা। সেক্ষেত্রে, ‘কপ৩১’ আয়োজক হওয়ার অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে যাবে জার্মানির হাতে।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিয়ে অ্যাডিলেড শহরে সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এর লক্ষ্য হলো, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এই অঞ্চলের দিকে বিশ্বের নজর আকর্ষণ করা।
তবে, আয়োজক হলে নিজেদের জলবায়ু রেকর্ড নিয়েও কঠিন নজরদারিতে পড়তে হবে অস্ট্রেলিয়াকে। কারণ, দেশটি বহু বছর ধরে জীবাশ্ম জ্বালানির রপ্তানি থেকে লাভ করেছে এবং জলবায়ু পদক্ষেপকে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক চাপ হিসেবে দেখেছে।
অস্ট্রেলিয়া যদি আয়োজক হতে পারে, তবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রথমবারের মতো ‘কপ’ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে।



























নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে ইইউর অভিনন্দন