বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত
- আপডেট সময় : ১১:৪৬:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 61
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে ৪ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল (সোমবার, ১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ফালাম শহরের ৮১ কিলোমিটার পূর্বে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। কক্সবাজার ও পার্শ্ববর্তী পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম শহরে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০৬ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পে প্রভাবিত অঞ্চলের তালিকায় মিয়ানমার ছাড়াও আছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি এলাকা।
কম্পন অনুভূত হয়েছে ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেটে। ভারত ও ইউরেশিয়া টেকটনিক প্লেটের মধ্যে অবস্থিত হওয়ায়, ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলগুলোর একটি মিয়ানমার।
ভূমিকম্পের তথ্য প্রদানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) তাদের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ তথ্যে জানিয়েছে, ৪.৯ মাত্রার এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের নাচুয়াংয়ে। ১০৬ দশমিক ৮ কিলোমিটারের গভীরতা সম্পন্ন এই ভূমিকম্পে প্রভাবিত অঞ্চল হিসেবে দেখানো হয়েছে মিয়ানমারের সাগাইং, উত্তর পূর্ব ভারত এবং বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, ঢাকা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ।
খালেদা জিয়ার পরিবারের নিরাপত্তায় থাকবে এসএসএফ
ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলগুলোর একটি মিয়ানমার। দুটি টেকটোনিক প্লেট—ভারত ও ইউরেশিয়া প্লেটের মধ্যে মিয়ানমারের অবস্থান, যা দেশটিকে ভূমিকম্পের বিশেষ ঝুঁকিতে ফেলেছে।
এ দুটি প্লেটের মধ্যবর্তী সীমানাকে ‘সাইগং ফল্ট’ বলা হয়। বিশেষজ্ঞরা এটিকে মিয়ানমারের মান্দালয় ও ইয়াঙ্গুনের মতো শহরগুলোর মধ্য দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার (৭৪৫ মাইল) দীর্ঘ একটি সরলরেখা হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা লাখো মানুষকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।
গত কয়েক দিনে এখন পর্যন্ত অষ্টমবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশে, যার শুরু হয়েছিল গত ২১ নভেম্বর শুক্রবার। সেদিন নরসিংদীতে উৎপত্তি হওয়া ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ঢাকাসহ আশপাশের এলাকা। ভূমিকম্পে নিহত হন ১০ জন। এরপর থেকে মাঝে মধ্যে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েই চলেছে।
























পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিধ্বংসী গ্রহাণু!