ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানুষ পরিবর্তন ও রাজনৈতিক অধিকার চায়: তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:০৪:১৪ অপরাহ্ন, রোববার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 92
116

সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের উপকার হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, পরিবর্তন ও রাজনৈতিক অধিকার চায় মানুষ।

আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রামের পোলোগ্রাউন্ড মাঠে বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে বিএনপি ১ লাখ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও খাল খনন করবে বিএনপি। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে বিএনপি সরকার। অপরাধী যেই হোক ছাড় দেয়া হবে না। বিএনপি সরকার গঠন করলে জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। আবার তিনি শহিদ হয়েছিলেন। চট্টগ্রামে খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী উপাধি দেয়া হয়েছিল। এ চট্টগ্রামের সঙ্গে আমি এবং আমার পরিবারের আবেগের সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চেয়েছে। যার মাধ্যমে শিক্ষা ও চিকিৎসার সুবিধা পায়।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। একারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খালকাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

নির্বাচন প্রস্তুতিতে সন্তুষ্ট বিদেশি কূটনীতিকরা: সিইসি

তারেক রহমান বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বি দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।

তিনি বলেন, ‘আমরা যতই পরিকল্পনা গ্রহণ করি আরেকটা বিষয় আছে সেটা যদি আমরা নিয়ন্ত্রণ না করি তাহলে আমাদের কোনো পরিকল্পনাই সফল হবে না। অতীতেও বিএনপি প্রমাণ করেছে একমাত্র বিএনপির পক্ষেই তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আর সেটা হচ্ছে দুর্নীতি। যেকোনো মূল্যে আগামীর বিএনপি সরকার দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে। এই দুটি হচ্ছে বিএনপির কমিটমেন্ট এদেশের মানুষের কাছে।’

এসময় তিনি বলেন, ‘১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত যে সরকার ছিলো তারা দেশকে দুর্নীতিতে নিচের দিকে নিয়ে গিয়েছিলো। ২০০১ সালে যখন খালেদা জিয়া দেশের দায়িত্ব পান তখন ধীরে ধীরে তিনি দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে দেশকে মুক্ত করেছিলেন। কাজেই প্রমাণ হয়েছে দেশের আইনশৃঙ্খলা সবার জন্য সমান। অপরাধীর পরিচয় কোনো দল দিয়ে নয়, অপরাধীর পরিচয় সে আইনের দৃষ্টিতে অপরাধী। কাজেই দুর্নীতি যেই করুক তাদের বিরুদ্ধে দেশের আইন একইভাবে প্রযোজ্য হবে।’

সকাল থেকে পলোগ্রাউন্ড মাঠে খণ্ড খণ্ড মিছিল আসতে শুরু করে। সকাল ১০টার মধ্যে পুরো মাঠ কানায় কানায় ভরে যায়।

এ সমাবেশে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পাবর্ত্য চট্টগ্রামের সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থীরা রয়েছেন। মঞ্চে প্রথম সারিতে আছেন—বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য উদয় কুমার বড়ুয়া, চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী সাঈদ নোমান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মোহাম্মদ নাজিমুর রহমান, চট্টগ্রাম-১৩ আসনের প্রার্থী সারোয়ার নিজাম, চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী আবু সুফিয়ান, কক্সবাজার-৪ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ শাহাজাহান চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সুকোমল বড়ুয়া, চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী আসলাম চৌধুরী, উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য গোলাম আকবর খন্দকার, চট্টগ্রাম-৬ আসনের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম সিটির মেয়র শাহাদাত হোসেন, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য এস এম ফজলুল হক, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, চট্টগ্রাম-৫ আসনের প্রার্থী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এম নাজিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, খাগড়াছড়ির প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ ভুইঁয়া, কক্সবাজারের প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য ম্যামাসিং, বান্দরবান জেলা বিএনপির আহবায়ক জেরি প্রো চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নারী বিষয়ক সম্পাদক বেগম নুরে আরা সাফা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি আহবায়ক ইদ্রিস মিয়া, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ, চট্টগ্রাম-৩ আসনের প্রার্থী মোস্তফা কামাল, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দ্বীপন দেওয়ান তালুকদার।

মঞ্চে দ্বিতীয় সারিতে আছেন—চট্টগ্রাম-১৪ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন, চট্টগ্রাম-১২ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, চট্টগ্রাম-১ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আমিন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

মানুষ পরিবর্তন ও রাজনৈতিক অধিকার চায়: তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০২:০৪:১৪ অপরাহ্ন, রোববার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
116

সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের উপকার হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, পরিবর্তন ও রাজনৈতিক অধিকার চায় মানুষ।

আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রামের পোলোগ্রাউন্ড মাঠে বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে বিএনপি ১ লাখ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও খাল খনন করবে বিএনপি। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে বিএনপি সরকার। অপরাধী যেই হোক ছাড় দেয়া হবে না। বিএনপি সরকার গঠন করলে জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। আবার তিনি শহিদ হয়েছিলেন। চট্টগ্রামে খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী উপাধি দেয়া হয়েছিল। এ চট্টগ্রামের সঙ্গে আমি এবং আমার পরিবারের আবেগের সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চেয়েছে। যার মাধ্যমে শিক্ষা ও চিকিৎসার সুবিধা পায়।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। একারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খালকাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

নির্বাচন প্রস্তুতিতে সন্তুষ্ট বিদেশি কূটনীতিকরা: সিইসি

তারেক রহমান বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বি দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।

তিনি বলেন, ‘আমরা যতই পরিকল্পনা গ্রহণ করি আরেকটা বিষয় আছে সেটা যদি আমরা নিয়ন্ত্রণ না করি তাহলে আমাদের কোনো পরিকল্পনাই সফল হবে না। অতীতেও বিএনপি প্রমাণ করেছে একমাত্র বিএনপির পক্ষেই তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আর সেটা হচ্ছে দুর্নীতি। যেকোনো মূল্যে আগামীর বিএনপি সরকার দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে। এই দুটি হচ্ছে বিএনপির কমিটমেন্ট এদেশের মানুষের কাছে।’

এসময় তিনি বলেন, ‘১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত যে সরকার ছিলো তারা দেশকে দুর্নীতিতে নিচের দিকে নিয়ে গিয়েছিলো। ২০০১ সালে যখন খালেদা জিয়া দেশের দায়িত্ব পান তখন ধীরে ধীরে তিনি দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে দেশকে মুক্ত করেছিলেন। কাজেই প্রমাণ হয়েছে দেশের আইনশৃঙ্খলা সবার জন্য সমান। অপরাধীর পরিচয় কোনো দল দিয়ে নয়, অপরাধীর পরিচয় সে আইনের দৃষ্টিতে অপরাধী। কাজেই দুর্নীতি যেই করুক তাদের বিরুদ্ধে দেশের আইন একইভাবে প্রযোজ্য হবে।’

সকাল থেকে পলোগ্রাউন্ড মাঠে খণ্ড খণ্ড মিছিল আসতে শুরু করে। সকাল ১০টার মধ্যে পুরো মাঠ কানায় কানায় ভরে যায়।

এ সমাবেশে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পাবর্ত্য চট্টগ্রামের সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থীরা রয়েছেন। মঞ্চে প্রথম সারিতে আছেন—বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য উদয় কুমার বড়ুয়া, চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী সাঈদ নোমান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মোহাম্মদ নাজিমুর রহমান, চট্টগ্রাম-১৩ আসনের প্রার্থী সারোয়ার নিজাম, চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী আবু সুফিয়ান, কক্সবাজার-৪ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ শাহাজাহান চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সুকোমল বড়ুয়া, চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী আসলাম চৌধুরী, উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য গোলাম আকবর খন্দকার, চট্টগ্রাম-৬ আসনের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম সিটির মেয়র শাহাদাত হোসেন, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য এস এম ফজলুল হক, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, চট্টগ্রাম-৫ আসনের প্রার্থী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এম নাজিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, খাগড়াছড়ির প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ ভুইঁয়া, কক্সবাজারের প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য ম্যামাসিং, বান্দরবান জেলা বিএনপির আহবায়ক জেরি প্রো চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নারী বিষয়ক সম্পাদক বেগম নুরে আরা সাফা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি আহবায়ক ইদ্রিস মিয়া, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ, চট্টগ্রাম-৩ আসনের প্রার্থী মোস্তফা কামাল, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দ্বীপন দেওয়ান তালুকদার।

মঞ্চে দ্বিতীয় সারিতে আছেন—চট্টগ্রাম-১৪ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন, চট্টগ্রাম-১২ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, চট্টগ্রাম-১ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আমিন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ।