ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যগ্রহণ, বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 337
364

মহাকাশ প্রেমীদের জন্য অধীর অপেক্ষার সময় ঘনিয়ে আসছে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি আকাশে দেখা যাবে এক বিরল দৃশ্য— বলয়াকার সূর্যগ্রহণ (Annular Solar Eclipse)। জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘রিং অব ফায়ার’ (Ring of Fire) বলা হয়। চাঁদ যখন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে এসেও সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে পারে না, তখনই সূর্যের চারপাশে আগুনের বলয়ের মতো এই দৃশ্য তৈরি হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ১৭ ফেব্রুয়ারির এই সূর্যগ্রহণ বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না। এমনকি প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেও এই মহাজাগতিক ঘটনা (Celestial Event) উপভোগ করার সুযোগ নেই। দক্ষিণ এশিয়ার আকাশপ্রেমীদের জন্য এটি কিছুটা হতাশাজনক হলেও, বিশ্বের অন্যান্য কিছু প্রান্ত থেকে এটি আংশিক বা পূর্ণরূপে দেখা যাবে।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, গ্রহণটি শুরু হবে আন্তর্জাতিক সময় (UTC) সকাল ৭টা ১ মিনিটে। বাংলাদেশ সময় (Bangladesh Time) অনুযায়ী এটি দুপুর ১টা ১ মিনিটে শুরু হবে। বলয়াকার বা পূর্ণ অংশটি সর্বোচ্চ প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হতে পারে।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেল-এর নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এই সূর্যগ্রহণ মূলত অ্যান্টার্কটিকার দুর্গম এলাকা থেকে সবচেয়ে স্পষ্ট দেখা যাবে। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার কিছু দেশ এবং দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশে আংশিক সূর্যগ্রহণ (Partial Solar Eclipse) পরিলক্ষিত হবে। তবে এশিয়া মহাদেশের কোনো দেশ থেকেই এটি দৃশ্যমান হবে না।

সূর্যগ্রহণ দেখার ক্ষেত্রে চোখের নিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি। সরাসরি খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকালে চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। তাই যারা এটি সরাসরি দেখার সুযোগ পাবেন, তাদের অবশ্যই অনুমোদিত সূর্যগ্রহণ চশমা (Solar Eclipse Glasses) ব্যবহার করতে হবে। সাধারণ চশমা বা এক্স-রে প্লেট দিয়ে এটি দেখা ঝুঁকিপূর্ণ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যগ্রহণ, বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?

আপডেট সময় : ০২:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
364

মহাকাশ প্রেমীদের জন্য অধীর অপেক্ষার সময় ঘনিয়ে আসছে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি আকাশে দেখা যাবে এক বিরল দৃশ্য— বলয়াকার সূর্যগ্রহণ (Annular Solar Eclipse)। জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘রিং অব ফায়ার’ (Ring of Fire) বলা হয়। চাঁদ যখন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে এসেও সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে পারে না, তখনই সূর্যের চারপাশে আগুনের বলয়ের মতো এই দৃশ্য তৈরি হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ১৭ ফেব্রুয়ারির এই সূর্যগ্রহণ বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না। এমনকি প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেও এই মহাজাগতিক ঘটনা (Celestial Event) উপভোগ করার সুযোগ নেই। দক্ষিণ এশিয়ার আকাশপ্রেমীদের জন্য এটি কিছুটা হতাশাজনক হলেও, বিশ্বের অন্যান্য কিছু প্রান্ত থেকে এটি আংশিক বা পূর্ণরূপে দেখা যাবে।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, গ্রহণটি শুরু হবে আন্তর্জাতিক সময় (UTC) সকাল ৭টা ১ মিনিটে। বাংলাদেশ সময় (Bangladesh Time) অনুযায়ী এটি দুপুর ১টা ১ মিনিটে শুরু হবে। বলয়াকার বা পূর্ণ অংশটি সর্বোচ্চ প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হতে পারে।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেল-এর নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এই সূর্যগ্রহণ মূলত অ্যান্টার্কটিকার দুর্গম এলাকা থেকে সবচেয়ে স্পষ্ট দেখা যাবে। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার কিছু দেশ এবং দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশে আংশিক সূর্যগ্রহণ (Partial Solar Eclipse) পরিলক্ষিত হবে। তবে এশিয়া মহাদেশের কোনো দেশ থেকেই এটি দৃশ্যমান হবে না।

সূর্যগ্রহণ দেখার ক্ষেত্রে চোখের নিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি। সরাসরি খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকালে চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। তাই যারা এটি সরাসরি দেখার সুযোগ পাবেন, তাদের অবশ্যই অনুমোদিত সূর্যগ্রহণ চশমা (Solar Eclipse Glasses) ব্যবহার করতে হবে। সাধারণ চশমা বা এক্স-রে প্লেট দিয়ে এটি দেখা ঝুঁকিপূর্ণ।