ইংরেজি না শেখায় নিজেকে ‘অজ্ঞ’ মনে হয় মেসির
- আপডেট সময় : ০২:০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 260
খেলোয়াড়ি বা ব্যক্তিগত জীবনে প্রাপ্তি-অর্জনের শেষ নেই লিওনেল মেসির। অর্থ-বিত্তের দিক থেকেও ধনকুবেরই বলা যায় আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে। তবু তার জীবনে রয়ে গেছে একটি আক্ষেপ। আর সেটি হলো ইংরেজি না শেখা ও বলতে না পারা।
সম্প্রতি আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক নাহুয়েল গুসমানের পডকাস্ট ‘মিরো দে আট্রাসে’ উপস্থিত হয়ে মেসি নিজের জীবনের এমন এক দিক খুলে বলেছেন, যা সাধারণত আলোচনায় আসে না। সাবলীলভাবে ইংরেজি বলতে না পারায় অনেক সময় নিজেকে ‘অজ্ঞ’ মনে হয়েছে, স্বীকার করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
মেসি জানান, আর্জেন্টিনায় পড়াশোনা করেছেন উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত। এরপরই পুরো মনোযোগ চলে যায় ফুটবলে। প্রথমে নিওয়েলস ওল্ড বয়েজ ক্লাবে। আর তারপর ইতিহাসগড়া অধ্যায় স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে।
২৩ বছর পর আগস্টে টেস্ট খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় যাবে বাংলাদেশ
“আর্জেন্টিনায় শেষ বছরে জানতাম আমি চলে যাচ্ছি। এরপর তখন আর কিছুই করিনি। এখন অনেক কিছুর জন্যই আফসোস হয়। আমি আমার সন্তানদের বলি- ভালো শিক্ষা, পড়াশোনা, নিজেকে প্রস্তুত করা খুব জরুরি।”
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলছেন মেসি। বৈশ্বিক তারকা, ব্যবসায়ী ও নানা ক্ষেত্রের খ্যাতিমান ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়মিত ওঠাবসা তার। সেই পরিসরে দাঁড়িয়ে ইংরেজিতে দক্ষ না হওয়ার অভাবটা আরও বেশি করে অনুভব করেন তিনি।
“আমি আমার সন্তানদের বলি, আজ তাদের সুযোগ আছে- নষ্ট কোরো না। ছোটবেলায় ইংরেজি শেখার সময় ছিল, শিখিনি। বোকামি করেছি। এখন অসাধারণ সব মানুষের সঙ্গে থাকি, কখনও কখনও নিজেকে অজ্ঞ মনে হয়।”
বৈশ্বিক প্রচারণা কিংবা ক্লাবের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সতীর্থরা যখন ইংরেজি, ফরাসি বা অন্য ভাষায় কথা বলেন, মেসি বরাবরই স্প্যানিশেই স্বচ্ছন্দ। মাঠে তার পায়ের জাদু যদিও ভাষার সীমা মানে না, তবু ব্যক্তিগত পরিসরে ভাষাগত সীমাবদ্ধতাকে তিনি খোলামেলাভাবে মেনে নিচ্ছেন।
বিশ্বকাপ জয়, অগণিত শিরোপা আর ‘সর্বকালের সেরা’ বিতর্কের বাইরে এই স্বীকারোক্তি মেসির আরেক মানবিক মুখ তুলে ধরে। শিক্ষা ও আত্মপ্রস্তুতির গুরুত্ব নিয়ে তার এই বার্তা হয়তো নতুন প্রজন্মকে মনে করিয়ে দেবে- স্বপ্ন শুধু মাঠে নয়, শ্রেণিকক্ষেও গড়ে ওঠে।



























মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করার চেষ্টা চলছে: রিজভী