ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান নয়, সৌদির আরামকোতে হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল!

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / 168
192

সৌদি আরবের রিয়াদে আরামকো তেল শোধনাগারে চালানো হামলাটি আসলে ইসরায়েলের একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বা ভুয়া পরিচয়ে পরিচালিত গোপন অপারেশন বলে দাবি করেছে ইরানের একটি সামরিক সূত্র।

তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই সূত্রটি জানিয়েছে, ইরানে চালানো নিজেদের হামলার অপরাধ থেকে বিশ্ববাসীর মনোযোগ সরাতেই ইসরায়েল এই চক্রান্ত করেছে। ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা কেবল এই অঞ্চলে থাকা আমেরিকান এবং ইসরায়েলি সামরিক সম্পদ ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে এবং এখন পর্যন্ত আরামকো তাদের হামলার তালিকায় ছিল না। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সূত্রটি আরও সতর্ক করেছে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরও ইসরায়েলের পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হতে পারে, যেখানে তারা একই ধরণের গোপন হামলা চালিয়ে অন্যদের ওপর দোষ চাপানোর পরিকল্পনা করছে।

যুদ্ধের পুরো নিয়ন্ত্রণ এখন ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের হাতে!

এর আগে গত সোমবার (২ মার্চ) টাইমস অব ইসরায়েল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ড্রোন হামলার শিকার হয়ে রাস তানুরা রিফাইনারিতে আগুন লাগায় সৌদি আরামকো তাদের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। তবে ইরানি পক্ষ একে একটি সাজানো নাটক হিসেবে বর্ণনা করছে। মূলত ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ কৌশলের মাধ্যমে ইসরায়েল নিজেদের আড়ালে রেখে তেহরানের ওপর দায় চাপিয়ে সামরিক পদক্ষেপের নতুন অজুহাত তৈরি করতে চাইছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামো এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরান নয়, সৌদির আরামকোতে হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল!

আপডেট সময় : ১২:২৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
192

সৌদি আরবের রিয়াদে আরামকো তেল শোধনাগারে চালানো হামলাটি আসলে ইসরায়েলের একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বা ভুয়া পরিচয়ে পরিচালিত গোপন অপারেশন বলে দাবি করেছে ইরানের একটি সামরিক সূত্র।

তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই সূত্রটি জানিয়েছে, ইরানে চালানো নিজেদের হামলার অপরাধ থেকে বিশ্ববাসীর মনোযোগ সরাতেই ইসরায়েল এই চক্রান্ত করেছে। ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা কেবল এই অঞ্চলে থাকা আমেরিকান এবং ইসরায়েলি সামরিক সম্পদ ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে এবং এখন পর্যন্ত আরামকো তাদের হামলার তালিকায় ছিল না। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সূত্রটি আরও সতর্ক করেছে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরও ইসরায়েলের পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হতে পারে, যেখানে তারা একই ধরণের গোপন হামলা চালিয়ে অন্যদের ওপর দোষ চাপানোর পরিকল্পনা করছে।

যুদ্ধের পুরো নিয়ন্ত্রণ এখন ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের হাতে!

এর আগে গত সোমবার (২ মার্চ) টাইমস অব ইসরায়েল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ড্রোন হামলার শিকার হয়ে রাস তানুরা রিফাইনারিতে আগুন লাগায় সৌদি আরামকো তাদের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। তবে ইরানি পক্ষ একে একটি সাজানো নাটক হিসেবে বর্ণনা করছে। মূলত ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ কৌশলের মাধ্যমে ইসরায়েল নিজেদের আড়ালে রেখে তেহরানের ওপর দায় চাপিয়ে সামরিক পদক্ষেপের নতুন অজুহাত তৈরি করতে চাইছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামো এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।