ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই, রাস্তায় গলছে পিচ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 69

মার্চের শুরু থেকেই চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুর ৩টায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৩১ শতাংশ। বর্তমানে জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

গত কয়েকদিনের পরিসংখ্যানেও তাপমাত্রার লাগামহীন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল) জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরের দিন বৃহস্পতিবার তা এক লাফে বেড়ে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়ায়, যা ছিল ওইদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। দিন যত গড়াচ্ছে, রোদের প্রখরতা ও গরমের তীব্রতা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকায় প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়ে গরমের অনুভূতি অনেক বেশি। অসহনীয় গরমে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খোলা আকাশের নিচে কাজ করা দিনমজুর, ভ্যান-রিকশাচালক ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা।

তীব্র দাবদাহের কারণে অতি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। ফলে দুপুরের দিকে শহরের ব্যস্ত সড়কগুলোতে মানুষের উপস্থিতি একেবারেই কমে যাচ্ছে। গরমের তীব্রতা এতোটাই প্রকট যে, শহরের বিভিন্ন স্থানে সড়কের পিচ পর্যন্ত গলতে শুরু করেছে।

দুর্বিষহ পরিস্থিতি থেকে সহসাই মুক্তির কোনো সুখবর নেই। চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, আগামী ৪-৫ দিন তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুধু তাই নয়, এ সময়ের মধ্যে এলাকায় স্বস্তির বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই, রাস্তায় গলছে পিচ

আপডেট সময় : ০৪:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

মার্চের শুরু থেকেই চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুর ৩টায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৩১ শতাংশ। বর্তমানে জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

গত কয়েকদিনের পরিসংখ্যানেও তাপমাত্রার লাগামহীন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল) জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরের দিন বৃহস্পতিবার তা এক লাফে বেড়ে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়ায়, যা ছিল ওইদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। দিন যত গড়াচ্ছে, রোদের প্রখরতা ও গরমের তীব্রতা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকায় প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়ে গরমের অনুভূতি অনেক বেশি। অসহনীয় গরমে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খোলা আকাশের নিচে কাজ করা দিনমজুর, ভ্যান-রিকশাচালক ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা।

তীব্র দাবদাহের কারণে অতি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। ফলে দুপুরের দিকে শহরের ব্যস্ত সড়কগুলোতে মানুষের উপস্থিতি একেবারেই কমে যাচ্ছে। গরমের তীব্রতা এতোটাই প্রকট যে, শহরের বিভিন্ন স্থানে সড়কের পিচ পর্যন্ত গলতে শুরু করেছে।

দুর্বিষহ পরিস্থিতি থেকে সহসাই মুক্তির কোনো সুখবর নেই। চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, আগামী ৪-৫ দিন তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুধু তাই নয়, এ সময়ের মধ্যে এলাকায় স্বস্তির বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।