ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামের ভয়াবহতা করোনার চেয়ে কম নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:০৪:০৫ অপরাহ্ন, রোববার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 63

হামের বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, হামের ভয়াবহতা কোনো অংশেই করোনার চেয়ে কম নয়। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষ হাম টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী আক্রান্তদের ৮২ শতাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। এই বাস্তবতায় সরকার বর্তমানে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী দেশের সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তিনি আরও জানান, করোনাকালে অব্যয়িত ৬০৪ কোটি টাকা দিয়ে হামের ভ্যাকসিন কেনার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

টিকাদান কর্মসূচির পরিকল্পনা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আজ থেকে প্রথম ধাপে দেশের ১৮টি জেলার নির্বাচিত ৩০টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হলো। এরপর আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনসহ ময়মনসিংহ ও বরিশালে টিকা দেওয়া হবে। সবশেষে ৩ মে থেকে অবশিষ্ট সারা দেশে একযোগে বড় পরিসরে এই টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী শিশুদের পুষ্টির বিষয়েও নির্দেশনা দেন। তিনি জানান, টিকার পাশাপাশি শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। তবে অসুস্থ শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা হিসেবে এই মুহূর্তে টিকা না দিয়ে কেবল ভিটামিন ‘এ’ প্রদান করা হচ্ছে। অতীতের সরকারগুলোর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে বর্তমানে হামের এই প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করে তিনি সকলকে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

হামের ভয়াবহতা করোনার চেয়ে কম নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:০৪:০৫ অপরাহ্ন, রোববার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

হামের বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, হামের ভয়াবহতা কোনো অংশেই করোনার চেয়ে কম নয়। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষ হাম টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী আক্রান্তদের ৮২ শতাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। এই বাস্তবতায় সরকার বর্তমানে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী দেশের সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তিনি আরও জানান, করোনাকালে অব্যয়িত ৬০৪ কোটি টাকা দিয়ে হামের ভ্যাকসিন কেনার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

টিকাদান কর্মসূচির পরিকল্পনা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আজ থেকে প্রথম ধাপে দেশের ১৮টি জেলার নির্বাচিত ৩০টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হলো। এরপর আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনসহ ময়মনসিংহ ও বরিশালে টিকা দেওয়া হবে। সবশেষে ৩ মে থেকে অবশিষ্ট সারা দেশে একযোগে বড় পরিসরে এই টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী শিশুদের পুষ্টির বিষয়েও নির্দেশনা দেন। তিনি জানান, টিকার পাশাপাশি শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। তবে অসুস্থ শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা হিসেবে এই মুহূর্তে টিকা না দিয়ে কেবল ভিটামিন ‘এ’ প্রদান করা হচ্ছে। অতীতের সরকারগুলোর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে বর্তমানে হামের এই প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করে তিনি সকলকে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।