ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের সব বন্দরে মার্কিন অবরোধ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:০৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 79

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের উপসাগরীয় অঞ্চলের সব বন্দর অবরুদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) ইরানের স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অবরোধ শুরু হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড।

এর আগে মার্কিন বাহিনী জানায়, বিশ্বের যে কোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ক্ষেত্রেই এই অবরোধ কার্যকর হবে। তারা স্পষ্ট করে বলে, যেসব জাহাজ ইরানের বন্দরের দিকে যাবে বা সেখান থেকে আসবে—সেগুলোকে আটকানো হবে।

যদিও উপসাগরীয় অন্যান্য দেশের বন্দরে যাতায়াতকারী জাহাজ এই অবরোধের আওতায় পড়বে না।

মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, “মার্কিন সামরিক বাহিনী ওমান উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালির পূর্বে আরব সাগরে অবস্থানরত সকল দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করতে যাচ্ছে।”

পোস্টে আরও বলা হয়, অনুমতি ছাড়া অবরোধকৃত এলাকায় কোনো জাহাজ প্রবেশ করলে বা সেখান থেকে বের হলে সেটিকে পথিমধ্যে আটকানো, গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য করা কিংবা জব্দ করা হতে পারে। তবে ইরানের বন্দর ছাড়া অন্যান্য বন্দরে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই অবরোধ কার্যকর হবে না।

এ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপের জবাবে পাল্টা হুমকি দিয়েছে আইআরজিসি। বাহিনীটির এক মুখপাত্র বলেন, “পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরের সব বন্দরের নিরাপত্তা থাকতে হবে, নয়ত কোনো বন্দর নিরাপদ থাকবে না।”

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ এবং ‘সামুদ্রিক দস্যুতা’ বলেও অভিহিত করেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়। দেশটি জানায়, ইরানের শত্রুদের কোনো জাহাজ এই পথ ব্যবহার করতে পারবে না।

বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি এই গুরুত্বপূর্ণ রুট দিয়ে সরবরাহ করা হয়। উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের উৎপাদিত তেল ও গ্যাস মূলত এই পথেই রপ্তানি করে। সূত্র: বিবিসি

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের সব বন্দরে মার্কিন অবরোধ শুরু

আপডেট সময় : ১১:০৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের উপসাগরীয় অঞ্চলের সব বন্দর অবরুদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) ইরানের স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অবরোধ শুরু হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড।

এর আগে মার্কিন বাহিনী জানায়, বিশ্বের যে কোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ক্ষেত্রেই এই অবরোধ কার্যকর হবে। তারা স্পষ্ট করে বলে, যেসব জাহাজ ইরানের বন্দরের দিকে যাবে বা সেখান থেকে আসবে—সেগুলোকে আটকানো হবে।

যদিও উপসাগরীয় অন্যান্য দেশের বন্দরে যাতায়াতকারী জাহাজ এই অবরোধের আওতায় পড়বে না।

মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, “মার্কিন সামরিক বাহিনী ওমান উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালির পূর্বে আরব সাগরে অবস্থানরত সকল দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করতে যাচ্ছে।”

পোস্টে আরও বলা হয়, অনুমতি ছাড়া অবরোধকৃত এলাকায় কোনো জাহাজ প্রবেশ করলে বা সেখান থেকে বের হলে সেটিকে পথিমধ্যে আটকানো, গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য করা কিংবা জব্দ করা হতে পারে। তবে ইরানের বন্দর ছাড়া অন্যান্য বন্দরে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই অবরোধ কার্যকর হবে না।

এ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপের জবাবে পাল্টা হুমকি দিয়েছে আইআরজিসি। বাহিনীটির এক মুখপাত্র বলেন, “পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরের সব বন্দরের নিরাপত্তা থাকতে হবে, নয়ত কোনো বন্দর নিরাপদ থাকবে না।”

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ এবং ‘সামুদ্রিক দস্যুতা’ বলেও অভিহিত করেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়। দেশটি জানায়, ইরানের শত্রুদের কোনো জাহাজ এই পথ ব্যবহার করতে পারবে না।

বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি এই গুরুত্বপূর্ণ রুট দিয়ে সরবরাহ করা হয়। উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের উৎপাদিত তেল ও গ্যাস মূলত এই পথেই রপ্তানি করে। সূত্র: বিবিসি