ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোটের পর থেকেই উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ, সহিংসতায় নিহত ৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 69

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হওয়া নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যম। সহিংসতাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি একে অপরের বিরুদ্ধে কর্মী হত্যার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে।

বিজেপির দাবি অনুযায়ী, হাওড়ার উদয়পুর এবং রাজারহাট নিউ টাউনে তৃণমূল সমর্থকদের হামলায় তাঁদের দুই কর্মী নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, বীরভূমের নানুর এবং কলকাতার বেলেঘাটায় বিজেপি কর্মীরা তাঁদের দলের দুই সদস্যকে খুন করেছে।

বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, নদীয়া ও বাঁকুড়াসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে আসানসোল শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের একাধিক দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। কার্যালয়ে লাগানো সেই আগুন পার্শ্ববর্তী একটি কেকের দোকানেও ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া রূপনারায়ণপুর টোল প্লাজ়া, কুমারপুর, কুলটি, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, বারাবনি এবং বার্ণপুরে তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে। ঘাসফুল শিবিরের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের কিছু কার্যালয় জোরপূর্বক গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে এসব সহিংসতার দায় অস্বীকার করেছে বিজেপি। নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন থেকেই দলটির নবনির্বাচিত বিধায়করা দাবি করছেন যে, কোনো ভাঙচুর বা সহিংসতায় তাঁদের কর্মীরা জড়িত নন। তাঁদের দাবি, কোথাও কোথাও ‘দুষ্কৃতিকারীরা’ বিজেপির নাম ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে ‘অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে’। বর্তমানে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুর ও সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোটের পর থেকেই উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ, সহিংসতায় নিহত ৪

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হওয়া নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যম। সহিংসতাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি একে অপরের বিরুদ্ধে কর্মী হত্যার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে।

বিজেপির দাবি অনুযায়ী, হাওড়ার উদয়পুর এবং রাজারহাট নিউ টাউনে তৃণমূল সমর্থকদের হামলায় তাঁদের দুই কর্মী নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, বীরভূমের নানুর এবং কলকাতার বেলেঘাটায় বিজেপি কর্মীরা তাঁদের দলের দুই সদস্যকে খুন করেছে।

বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, নদীয়া ও বাঁকুড়াসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে আসানসোল শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের একাধিক দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। কার্যালয়ে লাগানো সেই আগুন পার্শ্ববর্তী একটি কেকের দোকানেও ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া রূপনারায়ণপুর টোল প্লাজ়া, কুমারপুর, কুলটি, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, বারাবনি এবং বার্ণপুরে তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে। ঘাসফুল শিবিরের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের কিছু কার্যালয় জোরপূর্বক গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে এসব সহিংসতার দায় অস্বীকার করেছে বিজেপি। নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন থেকেই দলটির নবনির্বাচিত বিধায়করা দাবি করছেন যে, কোনো ভাঙচুর বা সহিংসতায় তাঁদের কর্মীরা জড়িত নন। তাঁদের দাবি, কোথাও কোথাও ‘দুষ্কৃতিকারীরা’ বিজেপির নাম ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে ‘অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে’। বর্তমানে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুর ও সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।