ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে গোপন হামলা চালিয়েছিল আমিরাত!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 70

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দিয়ে ইরানে গোপন হামলা চালিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল। সোমবার (১১ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এপ্রিলের শুরুর দিকে ইরানের লাভান দ্বীপের একটি তেল শোধনাগারে এই হামলা চালানো হয়।

এর মাধ্যমে উপসাগরীয় অঞ্চলের একমাত্র দেশ হিসেবে মার্কিন ও ইসরায়েলিদের সঙ্গে সরাসরি সামরিক অভিযানে হাত মেলালো আমিরাত।

সংবাদমাধ্যমটির তথ্যমতে, ওই হামলায় তেল শোধনাগারটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়, যা কাটিয়ে উঠতে ইরানের দীর্ঘ সময় লেগেছে। হামলাটি ঠিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগে নাকি পরে হয়েছে তা স্পষ্ট না হলেও, ঘটনার পরপরই ইরান একে ‘অজ্ঞাত শত্রু’র কাজ বলে অভিহিত করেছিল। পরবর্তীতে এর জবাবে তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে ব্যাপক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালায়।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি সূত্র জানিয়েছে, অন্য উপসাগরীয় আরব দেশগুলো এই অভিযানে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানালেও আমিরাতের অংশগ্রহণকে বেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই হামলার বিষয়ে ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত আমিরাতে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে প্রায় ৫৫০টি মিসাইল এবং ২ হাজার ২০০টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। তবে লাভান দ্বীপের হামলার বিষয়ে আমিরাত এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে কোনো স্বীকৃতি দেয়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানে গোপন হামলা চালিয়েছিল আমিরাত!

আপডেট সময় : ০২:১০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দিয়ে ইরানে গোপন হামলা চালিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল। সোমবার (১১ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এপ্রিলের শুরুর দিকে ইরানের লাভান দ্বীপের একটি তেল শোধনাগারে এই হামলা চালানো হয়।

এর মাধ্যমে উপসাগরীয় অঞ্চলের একমাত্র দেশ হিসেবে মার্কিন ও ইসরায়েলিদের সঙ্গে সরাসরি সামরিক অভিযানে হাত মেলালো আমিরাত।

সংবাদমাধ্যমটির তথ্যমতে, ওই হামলায় তেল শোধনাগারটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়, যা কাটিয়ে উঠতে ইরানের দীর্ঘ সময় লেগেছে। হামলাটি ঠিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগে নাকি পরে হয়েছে তা স্পষ্ট না হলেও, ঘটনার পরপরই ইরান একে ‘অজ্ঞাত শত্রু’র কাজ বলে অভিহিত করেছিল। পরবর্তীতে এর জবাবে তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে ব্যাপক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালায়।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি সূত্র জানিয়েছে, অন্য উপসাগরীয় আরব দেশগুলো এই অভিযানে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানালেও আমিরাতের অংশগ্রহণকে বেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই হামলার বিষয়ে ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত আমিরাতে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে প্রায় ৫৫০টি মিসাইল এবং ২ হাজার ২০০টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। তবে লাভান দ্বীপের হামলার বিষয়ে আমিরাত এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে কোনো স্বীকৃতি দেয়নি।