ঢাকা ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগোর মসজিদে বন্দুক হামলা, নিহত ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / 70

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়েগোর সবচেয়ে বড় মসজিদে বন্দুকধারীর হামলায় তিন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পরবর্তীতে সন্দেহভাজন দুই কিশোর হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ, যারা নিজেদের গুলিতেই আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে ক্লেয়ারমন্ট এলাকায় অবস্থিত ‘ইসলামিক সেন্টার অব সান ডিয়েগো’-তে এই ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় পুলিশ ও এফবিআই এই হামলাকে ‘বিদ্বেষপ্রসূত অপরাধ’ বা হেইট ক্রাইম হিসেবে তদন্ত করছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা আগে এক হামলাকারীর মা পুলিশকে ফোন করে জানিয়েছিলেন যে, তার ছেলে মানসিক অবসাদে ভুগছিল এবং সে বাড়ি থেকে কয়েকটি অস্ত্র ও গাড়ি নিয়ে পালিয়েছে।

নিহত দুই কিশোর হামলাকারীর বয়স ১৭ ও ১৮ বছর এবং তারা সামরিক বাহিনীর মতো পোশাক পরিহিত ছিল। হামলায় নিহত তিনজনের মধ্যে মসজিদের একজন নিরাপত্তারক্ষী রয়েছেন। পুলিশের মতে, ওই নিরাপত্তারক্ষীর বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণেই অনেক প্রাণ রক্ষা পেয়েছে।

গোলাগুলির সময় মসজিদ কমপ্লেক্সের ভেতরে থাকা ডে-স্কুলের সব শিশু অক্ষত ও নিরাপদে রয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। মসজিদের ইমাম তাহা হাসানে উপাসনালয়ে এমন হামলাকে অত্যন্ত ন্যক্কারজনক বলে মন্তব্য করেছেন। এ ঘটনার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে লস অ্যাঞ্জেলেস ও নিউইয়র্ক শহরের পুলিশ সেখানকার মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে নিরাপত্তা ও টহল জোরদার করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগোর মসজিদে বন্দুক হামলা, নিহত ৫

আপডেট সময় : ০২:১০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়েগোর সবচেয়ে বড় মসজিদে বন্দুকধারীর হামলায় তিন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পরবর্তীতে সন্দেহভাজন দুই কিশোর হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ, যারা নিজেদের গুলিতেই আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে ক্লেয়ারমন্ট এলাকায় অবস্থিত ‘ইসলামিক সেন্টার অব সান ডিয়েগো’-তে এই ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় পুলিশ ও এফবিআই এই হামলাকে ‘বিদ্বেষপ্রসূত অপরাধ’ বা হেইট ক্রাইম হিসেবে তদন্ত করছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা আগে এক হামলাকারীর মা পুলিশকে ফোন করে জানিয়েছিলেন যে, তার ছেলে মানসিক অবসাদে ভুগছিল এবং সে বাড়ি থেকে কয়েকটি অস্ত্র ও গাড়ি নিয়ে পালিয়েছে।

নিহত দুই কিশোর হামলাকারীর বয়স ১৭ ও ১৮ বছর এবং তারা সামরিক বাহিনীর মতো পোশাক পরিহিত ছিল। হামলায় নিহত তিনজনের মধ্যে মসজিদের একজন নিরাপত্তারক্ষী রয়েছেন। পুলিশের মতে, ওই নিরাপত্তারক্ষীর বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণেই অনেক প্রাণ রক্ষা পেয়েছে।

গোলাগুলির সময় মসজিদ কমপ্লেক্সের ভেতরে থাকা ডে-স্কুলের সব শিশু অক্ষত ও নিরাপদে রয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। মসজিদের ইমাম তাহা হাসানে উপাসনালয়ে এমন হামলাকে অত্যন্ত ন্যক্কারজনক বলে মন্তব্য করেছেন। এ ঘটনার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে লস অ্যাঞ্জেলেস ও নিউইয়র্ক শহরের পুলিশ সেখানকার মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে নিরাপত্তা ও টহল জোরদার করেছে।