ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন রাশিয়া-চীন গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পের চুক্তি হয়নি: ক্রেমলিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • / 51

রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের মধ্যে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নতুন বহুমূল্যের ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পে কোনো চুক্তি হয়নি বলে বুধবার রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে ক্রেমলিন।

২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে অর্থনৈতিকভাবে ক্রমেই চীনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়া মস্কো কয়েক বছর ধরে এই পাইপলাইন প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বেইজিংয়ের অনাগ্রহের কারণে অগ্রগতি ধীর ছিল। বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ রুশ গণমাধ্যমকে বলেন, দুই পক্ষ ‘মৌলিক বোঝাপড়ায়’ পৌঁছেছে। এর মধ্যে পাইপলাইনের রুট ও নির্মাণ পদ্ধতি নিয়ে সমঝোতা রয়েছে। তবে এখনো স্পষ্ট সময়সূচি ঠিক হয়নি ও কিছু বিষয় নিয়ে কাজ বাকি রয়েছে।

পুতিন-সি বৈঠকের পর ক্রেমলিন তাদের ওয়েবসাইটে যে দীর্ঘ চুক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে, সেখানে এই প্রকল্পের উল্লেখ ছিল না।

এই পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে ৫ হাজার কোটি ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহ করা হবে। রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই গ্যাস সেই ক্ষেত্রগুলো থেকে নেওয়া হবে যেগুলো আগে ইউরোপে রপ্তানির জন্য ব্যবহৃত হতো। যুদ্ধের পর ইউরোপে রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানি ব্যাপকভাবে কমে গেছে।

পাইপলাইনটির রুট হবে উত্তর সাইবেরিয়ার ইয়ামাল উপদ্বীপ থেকে মঙ্গোলিয়া হয়ে চীন পর্যন্ত। এর দৈর্ঘ্য হবে ২ হাজার ৬০০ কিলোমিটার।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন রাশিয়া-চীন গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পের চুক্তি হয়নি: ক্রেমলিন

আপডেট সময় : ০৪:০১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের মধ্যে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নতুন বহুমূল্যের ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পে কোনো চুক্তি হয়নি বলে বুধবার রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে ক্রেমলিন।

২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে অর্থনৈতিকভাবে ক্রমেই চীনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়া মস্কো কয়েক বছর ধরে এই পাইপলাইন প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বেইজিংয়ের অনাগ্রহের কারণে অগ্রগতি ধীর ছিল। বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ রুশ গণমাধ্যমকে বলেন, দুই পক্ষ ‘মৌলিক বোঝাপড়ায়’ পৌঁছেছে। এর মধ্যে পাইপলাইনের রুট ও নির্মাণ পদ্ধতি নিয়ে সমঝোতা রয়েছে। তবে এখনো স্পষ্ট সময়সূচি ঠিক হয়নি ও কিছু বিষয় নিয়ে কাজ বাকি রয়েছে।

পুতিন-সি বৈঠকের পর ক্রেমলিন তাদের ওয়েবসাইটে যে দীর্ঘ চুক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে, সেখানে এই প্রকল্পের উল্লেখ ছিল না।

এই পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে ৫ হাজার কোটি ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহ করা হবে। রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই গ্যাস সেই ক্ষেত্রগুলো থেকে নেওয়া হবে যেগুলো আগে ইউরোপে রপ্তানির জন্য ব্যবহৃত হতো। যুদ্ধের পর ইউরোপে রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানি ব্যাপকভাবে কমে গেছে।

পাইপলাইনটির রুট হবে উত্তর সাইবেরিয়ার ইয়ামাল উপদ্বীপ থেকে মঙ্গোলিয়া হয়ে চীন পর্যন্ত। এর দৈর্ঘ্য হবে ২ হাজার ৬০০ কিলোমিটার।