ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৮ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / 62

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে মার্কিন আগ্রাসনের চূড়ান্ত জবাব হিসেবে এই অঞ্চলের আটটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় একযোগে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি)।
রোববার ভোররাতে পরিচালিত এই হামলায় কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আইআরজিসি জানিয়েছে, ভোর ২টা থেকে ৩টার মধ্যে পরিচালিত এই যৌথ অভিযানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে এবং লক্ষ্যবস্তু করা স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে।

হামলার পেছনের কারণ হিসেবে আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে একটি অনুপ্রবেশকারী জাহাজকে বাধা দেওয়ার অজুহাতে মার্কিন বাহিনী ইরানের পাঁচটি উপকূলীয় চৌকিতে হামলা চালায়। এর পাশাপাশি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের অভ্যন্তরে লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে নতুন আগ্রাসন চালানোর ঘোষণা দেয়।

সেন্টকমের দাবি, একটি বাণিজ্যিক তেল ট্যাঙ্কারে হামলার জবাবে তারা ইরানে হামলা চালিয়েছে। এর পরপরই ইরানের হরমোজগান প্রদেশের সিরিক কাউন্টি এবং কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। এরই প্রতিশোধ নিতে ইরান এই ব্যাপক হামলা চালিয়েছে।

সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা অনুযায়ী হরমুজ প্রণালীর সামুদ্রিক চলাচলের দায়িত্ব ইরানের। আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করা এই সমঝোতার স্পষ্ট লঙ্ঘন। ভবিষ্যতে মার্কিন বা যেকোনো শত্রুপক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন চালানো হলে তার কঠোর ও ব্যাপক জবাব দেওয়া হবে। নিয়ম লঙ্ঘনকারী জাহাজগুলোর বিরুদ্ধেও আগের চেয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে তেহরান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে ইরান এ পর্যন্ত শতাধিক প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। সূত্র: প্রেস টিভি

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

৮ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

আপডেট সময় : ০২:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে মার্কিন আগ্রাসনের চূড়ান্ত জবাব হিসেবে এই অঞ্চলের আটটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় একযোগে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি)।
রোববার ভোররাতে পরিচালিত এই হামলায় কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আইআরজিসি জানিয়েছে, ভোর ২টা থেকে ৩টার মধ্যে পরিচালিত এই যৌথ অভিযানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে এবং লক্ষ্যবস্তু করা স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে।

হামলার পেছনের কারণ হিসেবে আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে একটি অনুপ্রবেশকারী জাহাজকে বাধা দেওয়ার অজুহাতে মার্কিন বাহিনী ইরানের পাঁচটি উপকূলীয় চৌকিতে হামলা চালায়। এর পাশাপাশি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের অভ্যন্তরে লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে নতুন আগ্রাসন চালানোর ঘোষণা দেয়।

সেন্টকমের দাবি, একটি বাণিজ্যিক তেল ট্যাঙ্কারে হামলার জবাবে তারা ইরানে হামলা চালিয়েছে। এর পরপরই ইরানের হরমোজগান প্রদেশের সিরিক কাউন্টি এবং কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। এরই প্রতিশোধ নিতে ইরান এই ব্যাপক হামলা চালিয়েছে।

সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা অনুযায়ী হরমুজ প্রণালীর সামুদ্রিক চলাচলের দায়িত্ব ইরানের। আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করা এই সমঝোতার স্পষ্ট লঙ্ঘন। ভবিষ্যতে মার্কিন বা যেকোনো শত্রুপক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন চালানো হলে তার কঠোর ও ব্যাপক জবাব দেওয়া হবে। নিয়ম লঙ্ঘনকারী জাহাজগুলোর বিরুদ্ধেও আগের চেয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে তেহরান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে ইরান এ পর্যন্ত শতাধিক প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। সূত্র: প্রেস টিভি