ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈশ্বিক পাসপোর্ট র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ-উত্তর কোরিয়া একই অবস্থানে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / 18

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের সর্বশেষ বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে একই অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ও উত্তর কোরিয়া। হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স ২০২৬-এর মধ্যবর্ষ সংস্করণে দুই দেশের অবস্থান ৯৭তম। যদিও গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশ তিন ধাপ এগিয়েছে, তবে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় ভ্রমণযোগ্য গন্তব্যের সংখ্যা ৩৭ থেকে কমে ৩৫টিতে নেমে এসেছে।

অন্যদিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে আগের মতোই তালিকার শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর, আর সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স এ র‌্যাংকিং প্রকাশ করে।

প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, আগাম ভিসা ছাড়াই অর্থাৎ ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধায় কোনও দেশের পাসপোর্টধারীরা কতটি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন, তার ভিত্তিতে হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স তৈরি করা হয়। সর্বশেষ সূচকে বিশ্বের ১৯৯টি পাসপোর্টকে ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্যের বিপরীতে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

সূচক অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশ ও উত্তর কোরিয়ার পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই ৩৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন। তবে গত বছর একই সুবিধায় বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ৩৭টি গন্তব্যে যাওয়ার সুযোগ পেতেন। গত বছরের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০০তম। এর আগে ২০২৪ সালে ৯৭তম, ২০২০ সালে ৯৮তম এবং ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ সালে যথাক্রমে ১০৮তম, ১০৩তম ও ১০১তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ।

গতবারের মতো তালিকার এবারও শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর। দেশটির পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ১৯২টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এসব দেশের নাগরিকরা আগাম ভিসা ছাড়াই ১৮৮টি গন্তব্যে যেতে পারেন।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে সুইডেন। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ১৮৭টি গন্তব্যে ভ্রমণের সুযোগ পান। চতুর্থ স্থানে যৌথভাবে রয়েছে ইউরোপের ১১টি দেশ। দেশগুলো হলো— বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও স্পেন। এসব দেশের নাগরিকরা ১৮৬টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় যেতে পারেন।

পঞ্চম স্থানে রয়েছে অস্ট্রিয়া, গ্রিস, মাল্টা, পর্তুগাল ও সুইজারল্যান্ড। তাদের পাসপোর্টধারীরা ১৮৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য। এসব দেশের নাগরিকরা ১৮৪টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই যেতে পারেন।

সপ্তম স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চেক প্রজাতন্ত্র, লাটভিয়া, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও স্লোভেনিয়া। এসব দেশের পাসপোর্টধারীরা ১৮৩টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন।

অষ্টম স্থানে রয়েছে ক্রোয়েশিয়া ও এস্তোনিয়া। তাদের জন্য উন্মুক্ত ১৮২টি গন্তব্য। নবম স্থানে রয়েছে লিশটেনস্টাইন ও লিথুয়ানিয়া। তাদের পাসপোর্টধারীরা ১৮১টি গন্তব্যে যেতে পারেন। আর দশম স্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। এসব দেশের নাগরিকরা আগাম ভিসা ছাড়াই ১৮০টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন।

লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা যৌথভাবে ১৬তম স্থানে রয়েছে। দেশ দুটির পাসপোর্টধারীরা ১৬৯টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় ভ্রমণ করতে পারেন। অন্যদিকে ইউক্রেন ও রাশিয়া যথাক্রমে ৩১তম ও ৪২তম স্থানে রয়েছে। ইউক্রেনের নাগরিকরা ১৪২টি এবং রাশিয়ার নাগরিকরা ১১৪টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই যেতে পারেন।

ইসরায়েল রয়েছে ১৮তম স্থানে। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ১৬৬টি গন্তব্যে যেতে পারেন। ইরান ও ফিলিস্তিন যৌথভাবে ৯৬তম স্থানে রয়েছে। তাদের জন্য উন্মুক্ত ৩৭টি গন্তব্য।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব রয়েছে ৫৪তম স্থানে। কসোভোর সঙ্গে যৌথভাবে ৬০তম স্থানে থাকা চীনের নাগরিকরা ৮৩টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই যেতে পারেন। হাইতি ও ভিয়েতনাম যৌথভাবে রয়েছে ৮৭তম স্থানে।

বাংলাদেশের দক্ষিণ এশীয় প্রতিবেশীদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট মালদ্বীপের। দেশটি ৫২তম স্থানে রয়েছে এবং তাদের নাগরিকরা ৯৩টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন। এরপর রয়েছে ভারত। তালিকায় দেশটির অবস্থান ৮১তম। ভারতীয় পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই ৫৫টি গন্তব্যে যেতে পারেন। ভুটান রয়েছে ৮৮তম স্থানে (৪৭টি গন্তব্য) এবং মিয়ানমার ৯১তম স্থানে (৪৩টি গন্তব্য)।

শ্রীলঙ্কা রয়েছে ৯৪তম স্থানে। দেশটির নাগরিকরা ৩৯টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় ভ্রমণ করতে পারেন। বাংলাদেশের ঠিক নিচে রয়েছে নেপাল। অর্থাৎ তালিকায় দেশটির অবস্থান ৯৮তম। নেপালের নাগরিকরা ৩৪টি গন্তব্যে যেতে পারেন। পাকিস্তান রয়েছে ১০১তম স্থানে, তাদের জন্য উন্মুক্ত ২৯টি গন্তব্য।

তালিকার একেবারে শেষে রয়েছে আফগানিস্তান। দেশটির অবস্থান ১০৪তম এবং তাদের নাগরিকরা মাত্র ২২টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মাঝখানে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দুটি দেশ। এর মধ্যে ইরাক ১০২তম স্থানে (২৮টি গন্তব্য), আর ১০৩তম স্থানে থাকা সিরিয়ার নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত ২৫টি গন্তব্য।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বৈশ্বিক পাসপোর্ট র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ-উত্তর কোরিয়া একই অবস্থানে

আপডেট সময় : ০৪:২২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের সর্বশেষ বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে একই অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ও উত্তর কোরিয়া। হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স ২০২৬-এর মধ্যবর্ষ সংস্করণে দুই দেশের অবস্থান ৯৭তম। যদিও গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশ তিন ধাপ এগিয়েছে, তবে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় ভ্রমণযোগ্য গন্তব্যের সংখ্যা ৩৭ থেকে কমে ৩৫টিতে নেমে এসেছে।

অন্যদিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে আগের মতোই তালিকার শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর, আর সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স এ র‌্যাংকিং প্রকাশ করে।

প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, আগাম ভিসা ছাড়াই অর্থাৎ ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধায় কোনও দেশের পাসপোর্টধারীরা কতটি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন, তার ভিত্তিতে হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স তৈরি করা হয়। সর্বশেষ সূচকে বিশ্বের ১৯৯টি পাসপোর্টকে ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্যের বিপরীতে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

সূচক অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশ ও উত্তর কোরিয়ার পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই ৩৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন। তবে গত বছর একই সুবিধায় বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ৩৭টি গন্তব্যে যাওয়ার সুযোগ পেতেন। গত বছরের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০০তম। এর আগে ২০২৪ সালে ৯৭তম, ২০২০ সালে ৯৮তম এবং ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ সালে যথাক্রমে ১০৮তম, ১০৩তম ও ১০১তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ।

গতবারের মতো তালিকার এবারও শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর। দেশটির পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ১৯২টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এসব দেশের নাগরিকরা আগাম ভিসা ছাড়াই ১৮৮টি গন্তব্যে যেতে পারেন।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে সুইডেন। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ১৮৭টি গন্তব্যে ভ্রমণের সুযোগ পান। চতুর্থ স্থানে যৌথভাবে রয়েছে ইউরোপের ১১টি দেশ। দেশগুলো হলো— বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও স্পেন। এসব দেশের নাগরিকরা ১৮৬টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় যেতে পারেন।

পঞ্চম স্থানে রয়েছে অস্ট্রিয়া, গ্রিস, মাল্টা, পর্তুগাল ও সুইজারল্যান্ড। তাদের পাসপোর্টধারীরা ১৮৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য। এসব দেশের নাগরিকরা ১৮৪টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই যেতে পারেন।

সপ্তম স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চেক প্রজাতন্ত্র, লাটভিয়া, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও স্লোভেনিয়া। এসব দেশের পাসপোর্টধারীরা ১৮৩টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন।

অষ্টম স্থানে রয়েছে ক্রোয়েশিয়া ও এস্তোনিয়া। তাদের জন্য উন্মুক্ত ১৮২টি গন্তব্য। নবম স্থানে রয়েছে লিশটেনস্টাইন ও লিথুয়ানিয়া। তাদের পাসপোর্টধারীরা ১৮১টি গন্তব্যে যেতে পারেন। আর দশম স্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। এসব দেশের নাগরিকরা আগাম ভিসা ছাড়াই ১৮০টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন।

লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা যৌথভাবে ১৬তম স্থানে রয়েছে। দেশ দুটির পাসপোর্টধারীরা ১৬৯টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় ভ্রমণ করতে পারেন। অন্যদিকে ইউক্রেন ও রাশিয়া যথাক্রমে ৩১তম ও ৪২তম স্থানে রয়েছে। ইউক্রেনের নাগরিকরা ১৪২টি এবং রাশিয়ার নাগরিকরা ১১৪টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই যেতে পারেন।

ইসরায়েল রয়েছে ১৮তম স্থানে। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ১৬৬টি গন্তব্যে যেতে পারেন। ইরান ও ফিলিস্তিন যৌথভাবে ৯৬তম স্থানে রয়েছে। তাদের জন্য উন্মুক্ত ৩৭টি গন্তব্য।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব রয়েছে ৫৪তম স্থানে। কসোভোর সঙ্গে যৌথভাবে ৬০তম স্থানে থাকা চীনের নাগরিকরা ৮৩টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই যেতে পারেন। হাইতি ও ভিয়েতনাম যৌথভাবে রয়েছে ৮৭তম স্থানে।

বাংলাদেশের দক্ষিণ এশীয় প্রতিবেশীদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট মালদ্বীপের। দেশটি ৫২তম স্থানে রয়েছে এবং তাদের নাগরিকরা ৯৩টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন। এরপর রয়েছে ভারত। তালিকায় দেশটির অবস্থান ৮১তম। ভারতীয় পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই ৫৫টি গন্তব্যে যেতে পারেন। ভুটান রয়েছে ৮৮তম স্থানে (৪৭টি গন্তব্য) এবং মিয়ানমার ৯১তম স্থানে (৪৩টি গন্তব্য)।

শ্রীলঙ্কা রয়েছে ৯৪তম স্থানে। দেশটির নাগরিকরা ৩৯টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় ভ্রমণ করতে পারেন। বাংলাদেশের ঠিক নিচে রয়েছে নেপাল। অর্থাৎ তালিকায় দেশটির অবস্থান ৯৮তম। নেপালের নাগরিকরা ৩৪টি গন্তব্যে যেতে পারেন। পাকিস্তান রয়েছে ১০১তম স্থানে, তাদের জন্য উন্মুক্ত ২৯টি গন্তব্য।

তালিকার একেবারে শেষে রয়েছে আফগানিস্তান। দেশটির অবস্থান ১০৪তম এবং তাদের নাগরিকরা মাত্র ২২টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মাঝখানে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দুটি দেশ। এর মধ্যে ইরাক ১০২তম স্থানে (২৮টি গন্তব্য), আর ১০৩তম স্থানে থাকা সিরিয়ার নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত ২৫টি গন্তব্য।