ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা স্থগিত করেছে ইরান
- আপডেট সময় : ০১:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
- / 5
যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা বন্ধ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা স্থগিত করেছে ইরান। তবে ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপকে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হিসেবে দেখছে না তেহরান। এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, অতীতে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাসঘাতকতা করলেও বর্তমানে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, টানা ১৩ রাত অভিযান চালানোর পর গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দেয় পেন্টাগন। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কোনো হামলার খবর পাওয়া যায়নি। একই সময়ে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করেও কোনো হামলা চালায়নি ইরান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ইরানের অবস্থান পরিষ্কার—হামলার জবাব হামলা দিয়েই দেওয়া হবে। তবে হামলা বন্ধ থাকলে ইরানও হামলা থেকে বিরত থাকবে। এই বার্তাটি ইতোমধ্যে ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বলেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সুযোগ তৈরি করতেই ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। তবে মার্কিন প্রশাসনের আরেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, টানা দুই সপ্তাহের অভিযানে ইরানের অধিকাংশ নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে গোলাবারুদ ও অস্ত্রের মজুত কমে আসায় পরবর্তী বড় পদক্ষেপের ঝুঁকি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সতর্ক করেছেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন ইরানের বিশ্লেষকেরা। তেহরানের একটি সূত্রের দাবি, স্থায়ী সমাধান নিয়ে সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনের অনেকের মধ্যেই এখনো সংশয় রয়েছে। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে চলমান সামরিক উত্তেজনার কারণে বিশ্ব জ্বালানি তেলের বাজারেও অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বাড়ছে।


























সিএনজি স্টেশন বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে মালিক সমিতি