ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • / 4

গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলো দিয়ে তেল সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে শুক্রবার (৩১ জুলাই) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

তবে দৈনিক দামে পতন হলেও মাসিক হিসাবে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধির পথে রয়েছে। গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) রাত ২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ১ দশমিক ০৩ ডলার বা ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৮ ডলারে নেমে আসে।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ১ দশমিক ৫০ ডলার বা ১ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮২ দশমিক ০৯ ডলারে দাঁড়ায়।

বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হলেও গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট দিয়ে তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকায় বাজারে দামের ওপর সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে। তবে পুরো মাসের হিসাবে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—উভয় বেঞ্চমার্ক তেলের দামই প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধির ধারায় রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম

আপডেট সময় : ০১:৪৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলো দিয়ে তেল সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে শুক্রবার (৩১ জুলাই) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

তবে দৈনিক দামে পতন হলেও মাসিক হিসাবে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধির পথে রয়েছে। গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) রাত ২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ১ দশমিক ০৩ ডলার বা ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৮ ডলারে নেমে আসে।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ১ দশমিক ৫০ ডলার বা ১ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮২ দশমিক ০৯ ডলারে দাঁড়ায়।

বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হলেও গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট দিয়ে তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকায় বাজারে দামের ওপর সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে। তবে পুরো মাসের হিসাবে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—উভয় বেঞ্চমার্ক তেলের দামই প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধির ধারায় রয়েছে।