লবণ শিল্পে স্থবিরতা: ১২ দিনে উৎপাদন ঘাটতি লাখ টন

- আপডেট সময় : ০২:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, রোববার, ৩ মে ২০২৬
- / 66
কক্সবাজারে টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে লবণ শিল্প। অবিরাম বর্ষণে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ লবণের মাঠ, বন্ধ হয়ে গেছে উৎপাদন। টানা ১২ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় তৈরি হয়েছে লাখ টনের লবণ ঘাটতি। অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে প্রায় ৪০ হাজার মানুষের।
রোদ ঝলসানো তপ্ত দিন- অন্যদের কাছে কঠিন হলেও এমন দিনগুলোই কক্সবাজারের লবণ চাষিদের বেঁচে থাকার মূল শক্তি। তবে বৈরী আবহাওয়া আর টানা বৃষ্টিপাতের কারণে এই শিল্পে নেমে এসেছে নীরব ধ্বংসযজ্ঞ।
লবণ চাষিরা জানান, ঝড় বৃষ্টিতে লবণ নষ্ট হয়ে গেছে। এখন কাগজও নষ্ট হয়ে গেছে, লবণও সব বৃষ্টির কারণে পানি হয়ে গেছে। সামনে আর এক মাস সময় ছিলো। তো আমরা ইনশাআল্লাহ আশাবাদী।
কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ লবণের মাঠে যেখানে প্রতিদিন সাদা সোনার ঝিলিক ছড়িয়ে পড়ত, সেখানে এখন জমে আছে বৃষ্টির পানি। মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই লবণ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভেঙে গেছে হাজারো লবণ চাষির স্বপ্ন। খুরুশকুলের চৌফলদণ্ডী, নাপিতখালী ও ইসলামপুরের লবণ মাঠে জমে আছে পানি।
কক্সবাজারে লবণ শিল্পের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ৪০ হাজারের বেশি মানুষ। আকস্মিক বৃষ্টিতে সাধারণত লবণ একেবারে নষ্ট হয় না। তবে পানি জমলে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। চাষিরা বলছেন- চলতি মৌসুমে প্রায় ১২ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় অন্তত ৩ লাখ টন লবণ কম উৎপাদন হয়েছে।
কক্সবাজার লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. জাফর ইকবাল ভূঁইয়া বলেন, ‘১২ দিন প্রোডাকশন বন্ধ মানে আমরা এভারেজে যদি পার ডে ২৫ হাজার মেট্রিক টন উৎপাদন ধরি, তাহলে প্রায় ৩ লাখ মেট্রিক টন লবণ কম উৎপাদন হইছে। ক্ষয়ক্ষতি হলে সেটা তারা উপজেলা বা জেলা প্রশাসন এ জানাইলে আমরা ওখানে যোগাযোগ করে একটা তাদেরকে কোন সহযোগিতা করা যায় কিনা আমরা চেষ্টা করবো।’
চাষিদের প্রত্যাশা, সরকারি সহায়তা পেলে ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে আবারো ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।





















